Minakshi Mukherjee

কোচবিহারে ডিম-হামলার মুখে মীনাক্ষী! ক্ষুব্ধ সিপিএম নেত্রী গাড়ি থামিয়ে বললেন, ‘আগে গ্রেপ্তার হোক’

শীতলকুচিতে মীনাক্ষীর গাড়িতে আছড়ে পড়ল একের পর এক ডিম!

বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৪:৩৪

options
link
কোচবিহারে ডিম-হামলার মুখে মীনাক্ষী! ক্ষুব্ধ সিপিএম নেত্রী গাড়ি থামিয়ে বললেন, ‘আগে গ্রেপ্তার হোক’
ফাইল ছবি।

প্রশাসন থেকে শাসকদলের শীর্ষনেতাদের বারণ সত্ত্বেও ডিম-থেরাপিতে আগ্রহ কমছে না জনতার! এবার ডিম হামলার মুখে সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee)। মঙ্গলবার সকালে কোচবিহারের শীতলকুচিতে তাঁর গাড়িতে আছড়ে পড়ল একের পর এক ডিম! ক্ষুব্ধ মীনাক্ষী নিজে সেই ভিডিও করে পুলিশের কাছে কড়া ভাষায় দাবি জানালেন, ‘‘আগে পুলিশ গ্রেপ্তার করুক। তারপর দেখা যাবে। আমার অপরাধটা কী? রাস্তায় কি বেরনো যাবে না?” তিনি সরাসরি বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

Advertisement

মঙ্গলবার সকালে শীতলকুচিতে মৃত সিপিএম কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সেখান ফেরার পথে শীতলকুচি বাজারের কাছে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে চলে ডিম-হামলা। একের পর এক ডিম ভেঙে গাড়ির কাচ ঝাপসা হয়ে যায়। সেখানেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন মীনাক্ষী। নিজেই হামলার ভিডিও রেকর্ড করেন। গাড়িতে বসে মীনাক্ষী সরাসরি অভিযোগ তোলেন বিজেপির দিকে। তাঁর কথায়, ‘‘আগে গ্রেপ্তার করা হোক এদের। পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে আর ওরা যা খুশি তাই করে যাবে? আমার অপরাধটা কোথায় বলুন? বাইরে বেরনো যাবে না?”

শীতলকুচি বাজারের কাছে মীনাক্ষীর গাড়িতে ডিম-হামলা। ছবি: বিশ্বদীপ সাহা

গত শনিবার  শীতলকুচি ব্লকের সিংহিমারি গ্রামের বাসিন্দা মণ্টু মিঞা নামে এক সিপিএম কর্মী বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। রবিবার সকালে স্থানীয় খুটামারি নদীর ধারে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের অভিযোগ, মণ্টু গরু কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে গোরক্ষকরা পিটিয়ে খুন করেছে। এই খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে শীতলকুচিতে মৃত সিপিএম কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সেখান ফেরার পথে শীতলকুচি বাজারের কাছে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে চলে ডিম-হামলা। একের পর এক ডিম ভেঙে গাড়ির কাচ ঝাপসা হয়ে যায়। সেখানেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন মীনাক্ষী। নিজেই হামলার ভিডিও রেকর্ড করেন। 

Advertisement

গাড়িতে বসে মীনাক্ষী সরাসরি অভিযোগ তোলেন বিজেপির দিকে। তাঁর কথায়, ‘‘আগে গ্রেপ্তার করা হোক এদের। পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে আর ওরা যা খুশি তাই করে যাবে? আমার অপরাধটা কোথায় বলুন? বাইরে বেরনো যাবে না?” বারবার তিনি দ্রুত গ্রেপ্তারির দাবি তুলেছেন। প্রয়োজনে নিজের রেকর্ড করা ভিডিও তিনি প্রমাণের জন্য পুলিশের হাতে তুলে দেবেন বলেও জানান। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে সেখান থেকে কোচবিহার শহরের দিকে চলে যান মীনাক্ষী। এনিয়ে এখনও বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.