ভোট বড় বালাই! তীব্র দাবদাহের চেয়েও খানিকটা যেন বেশি উত্তপ্ত বাংলার ভোটপর্ব। আর সেই উত্তাপের পারদ চড়িয়েছে ‘হটস্পট’ ফলতা। কিন্তু একদা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গড়’ সেই ফলতায় প্রকাশ্যেই প্রায় মুছে গিয়েছে তৃণমূল! দাপুটে ‘পুষ্পা’ থুড়ি জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই এলাকাছাড়া। কিন্তু এই পতনে শুধু বিজেপি অথবা হাসিমনগর নয়, কার্যত স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়েছেন অন্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, কর্মীরাও। এমন শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য ফলতার সিপিএম প্রার্থী বিশেষ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে।
আরও পড়ুন:
কী বলছেন শম্ভুনাথ কুর্মি? তাঁর কথায়, ‘‘৪ মে-র পর ঠিকমতো প্রচার করতে পেরেছি। মানুষের কাছে যেতে পেরেছি।’’ শম্ভুনাথবাবুর কথায়, ‘‘আগে একটা ভয়ের পরিবেশ ছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা ঠিকমতো প্রচার করতে পারতেন না, সেটা কেটে গিয়েছে।’’
বৃহস্পতিবার দিনভর তেমন কোনও অভিযোগ ছাড়াই মিটেছে ফলতার পুনর্নির্বাচন। প্রায় ২৮৫ বুথে একপ্রকার তৃণমূল এজেন্ট ছাড়াই মিটেছে ভোট। শাসক-বিরোধী সকলেরই দাবি, অশান্তি তো নেই, গত ৪ তারিখের আগেও যে পরিবেশ ছিল এলাকায়, তা বদলে গিয়েছে। আর এই বদলের আবহেই ভোটপ্রচারে ‘শান্তি’ পেয়েছেন ফলতার সিপিএম প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মি। টুকরো কিছু অভিযোগ ছাড়া ভালো ভোট হয়েছে ফলতায়, এমনটাই বলছেন তিনি। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশ। কী বলছেন শম্ভুনাথ কুর্মি? তাঁর কথায়, ‘‘৪ মে-র পর ঠিকমতো প্রচার করতে পেরেছি। মানুষের কাছে যেতে পেরেছি।’’ শম্ভুনাথবাবুর কথায়, ‘‘আগে একটা ভয়ের পরিবেশ ছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা ঠিকমতো প্রচার করতে পারতেন না, সেটা কেটে গিয়েছে।’’
সারাদিন কেমন ভোট দেখলেন শম্ভুনাথ? তাঁর দাবি, ‘‘২৭, ২৮, ২৯ নম্বর বুথ এছাড়া খুব সামান্য কিছু সমস্যা ছাড়া ভোটে অশান্তি হয়নি। ভালো ভোট হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে ঠিকঠাক ভোটের জন্য যা করার করেছি।’’ পুনর্নির্বাচনের দাবি করছেন ওই তিন বুথে? সিপিএম প্রার্থী বলছেন, ‘‘একেবারেই নয়। তার দরকারও নেই।’’ এমন নির্বিঘ্ন, স্বচ্ছ ভোটের জন্য শম্ভুনাথ কুর্মি ধন্যবাদ জানান কমিশন এবং রাজ্য সরকারকে। তাঁর কথায়, ‘‘ভোট তো নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করে। আমি রাজ্য সরকার এবং কমিশন, উভয়কেই ধন্যবাদ জানাব।’’
পুনর্নির্বাচনের পর ফলতা বিধানসভার লড়াই মূলত দ্বিমুখী। একদিকে শেষ মুহূর্তে ‘সরে যাওয়া’ তৃণমূলের জাহাঙ্গির খান, অন্যদিকে বিজেপির হয়ে লড়াইয়ে আইনজীবী দেবাংশু পাণ্ডা, জোর টক্কর দু’পক্ষের মধ্যে। যদিও পুনর্নির্বাচনের দিন বিজেপির পতাকা ছাড়া জাহাঙ্গির খানের নিজের পাড়ায় চোখে পড়েছে বাম, কংগ্রেসের দলীয় পতাকা। অনেকেই বলছেন, ফের শক্তিশালী হচ্ছে বামেরা। প্রশ্ন উঠছে, কতটা লড়াই দেবেন শম্ভুনাথ? জয়ের বিষয়ে কতটা আত্মবিশ্বাসী? সিপিএম প্রার্থীর দাবি, ‘‘মানুষের কাছে গিয়েছি। নিজের কথা বলেছি। এবার মানুষ যেটা করবেন। খুব টুকরো টুকরো ঘটনা ছাড়া তেমন কিছুই ঘটেনি।’’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কিয়ানের হ্যাটট্রিকে স্বস্তি, দু’ম্যাচ পর জয়ে ফিরে সুপার সিক্সের আশা বাঁচিয়ে রাখল মোহনবাগান
-
সতীর্থর সঙ্গে পরকীয়া! সমকামী ভাইস ক্যাপ্টেনের ‘শাস্তি’র দাবি স্ত্রীর, কী সিদ্ধান্ত নিল অজি বোর্ড?
-
‘মিথ্যে বলছে কর্নাটক নির্বাচন কমিশন’, ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়ায় ফুঁসছেন প্রকাশ রাজ
-
ভগ্নিপতির কাঁধে চেপে গেছিলেন ‘জনতার দরবারে’, চাকরি পেলেন পূর্ব মেদিনীপুরের প্রতিবন্ধী যুবক
-
২০২০ সালে শমীকের উপর হামলা! অভিষেক, সুমিত-সহ মোট ৭৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর