বঙ্গে পালাবদল
Ashok Kirtania

‘মানুষের সঙ্গে মিশে থাকতে চাই’, গাড়ি থেকে লালবাতি সরালেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া

মানুষের ভোটে জয়ী হয়ে, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বিধানসভায় গিয়েছেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই তিনি মন্ত্রী হয়েছেন। রাজ্যের বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৬, ১৬:৫৩

options
link
‘মানুষের সঙ্গে মিশে থাকতে চাই’, গাড়ি থেকে লালবাতি সরালেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া
গাড়ি থেকে লালবাতি সরালেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।

মানুষের ভোটে জয়ী হয়ে, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বিধানসভায় গিয়েছেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া (Ashok Kirtania)। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই তিনি মন্ত্রী হয়েছেন। রাজ্যের বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। মন্ত্রী হিসেবে লালবাতি গাড়ি পেয়েছেন তিনি। তবে কোনওভাবেই তিনি লালবাতি রাখতে চান না। গাড়ি থেকে লালবাতি খুলে রাখলেন মন্ত্রী। “আমি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকতে চাই।” সেই কথাই বললেন মন্ত্রী।

Advertisement

বনগাঁ উত্তরের দু’বারের বিধায়ক অশোক মতুয়া সম্প্রদায়ের। তাঁদের প্রতিনিধি হয়েই তিনি বিধানসভা গিয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন। সে কারণে, তিনি মানুষের মধ্যে থেকেই কাজ করতে চান। অশোক কীর্তনিয়া আরও বলেন, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রী লালবাতি ব্যবহার করছেন না। ঠিক একই কারণে আমিও করছি না।” গতকাল, শনিবার মন্ত্রী জানিয়েছেন, “ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া উদ্বাস্তু মতুয়ারা সিএএ-তে আবেদন করলে দেশের নাগরিকত্ব পাবেন। তাঁদের সমস্ত সরকারি পরিষেবাই দেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “কোনও বিদেশি নাগরিক সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তাঁদের নামে যে রেশন কার্ডগুলো রয়েছে, অবিলম্বে সেগুলো বাদ দেওয়া হবে। বিভাগীয় দপ্তরের আধিকারিকদের ইতিমধ্যে সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকতে চাই। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী লালবাতি ব্যবহার করছেন না। ঠিক একই কারণে আমিও করছি না।”

রাজ্য সরকার বিএসএফ-কে সীমান্তের কাঁটাতার লাগানোর জন্য বদ্ধপরিকর। জমি নেওয়ার জন্য স্থানীয়দের সঙ্গে সরকারি তরফে কথা বলাও শুরু হয়েছে। আজ, রবিবার সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী। জমি দেওয়ার বিষয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তিনি। দেশের সুরক্ষার স্বার্থে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি প্রয়োজন। জমির মালিকদের জমি দেওয়ার অনুরোধও করেন তিনি। মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সাধারণ মানুষরাও একাধিক বক্তব্য রেখেছেন। কোন কোন এলাকা দিয়ে কাঁটাতার যাবে, সেই চর্চাও চলছে। সরকারি ন্যায্য মূল্য পেলে জমি দিতে সমস্যা নেই। সেই কথাও জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.