জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: বাংলাদেশি প্রেমিকের টানে সুদূর ডায়মন্ড হারবার থেকে বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্তের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল এক কিশোরী। ভরসা বলতে একমাত্র ছিল গুগল ম্যাপ। কিন্তু শেষপর্যন্ত সে রাস্তা হারিয়ে ফেলে। আর সেই সুযোগে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হল সে। তাকে আটকে রাখার চেষ্টাও হয়েছিল। যদিও স্থানীয় বাসিন্দারা চলে আসায় রক্ষা পেয়েছে সে। পুলিশ পরে তাকে উদ্ধার করে নিতে গিয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটেছে পেট্রাপোল থানার জয়ন্তপুর সীমান্তে।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের যশোরের বাসিন্দা এক যুবকের সঙ্গে তার সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয়। ক্রমে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই কিশোরীর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের ফলতা এলাকায়। ওই যুবক সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বনগাঁ এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছিল। সেই কথা জেনে কাউকে কিছু না বলেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিল ওই কিশোরী। গতকাল সে ফলতা থেকে লোকাল ট্রেন ধরে শিয়ালদহ এসেছিল। এরপর সেখান থেকে ট্রেনে করে বনগাঁ।
বনগাঁ স্টেশনে নেমে মোবাইলের গুগল ম্যাপ দেখে প্রেমিকের আত্মীয়ের বাড়ি খোঁজা শুরু হয়। এদিকে অচেনা রাস্তায় সে হারিয়ে ফেলে পথ। সেসময় কয়েকজন যুবক তাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। টোটোয় করে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার নামে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। তাঁকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। শারীরিক নিগ্রহও হয়। কোনওরকমে সে ওই ঘর থেকে পালিয়ে যায়। তার আর্তনাদে আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা বেরিয়ে আসে। ঘটনা জানাজানির পরেই পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। কিশোরীর বাড়ির লোকদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। এদিকে জানা গিয়েছে, মেয়ের খোঁজ না পেয়ে ফলতা থানায় ডায়েরিও করা হয়েছে। মেয়ের খোঁজ পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে বাবা-মায়ের। পুলিশ অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক