কোটি টাকা মূল্যের চুল চুরি করে চম্পট ছিনতাইবাজদের, চাঞ্চল্য কাঁথিতে

প্রতিবাদে জাতীয় সড়কে অবরোধ ব্যবসায়ীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০১৯, ১৪:৪৪

options
link
কোটি টাকা মূল্যের চুল চুরি করে চম্পট ছিনতাইবাজদের, চাঞ্চল্য কাঁথিতে

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: গয়না নয়, টাকা নয়। ছিনতাই হয়েছে চুল। বলা ভাল, চুল ভরতি গোটা একটা ট্রাক। তাতে ছিল ব্যবসায়ীদের ৫২ বস্তা চুল। দাম কোটি টাকার কাছাকাছি। চুল ছিনতাইয়ে দুষ্কৃতীদের ধরার ও চুরি যাওয়া চুল-সহ ট্রাক উদ্ধারের দাবিতে পূর্ব মেদিনীপুরের  ভগবানপুরে এগরা-বাজকুল রাজ্য সড়কে  প্রায় ঘণ্টা তিনেক অবরোধ করলেন পরচুলা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। অবরোধের জেরে বাজকুল এগরা রুটের ভগবানপুরে আটকে পড়ে বাস, ট্রেকার, লরি-সহ বিভিন্ন যানবাহন। নতুন বছরের প্রথম দিনে ভোগান্তিতে পড়লেন বহু মানুষ। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।

Advertisement

সোমবার ভোর পাঁচটা নাগাদ প্রায় কোটি টাকা মূল্যের প্রক্রিয়াজাত চুল বোঝাই একটি ট্রাক ছিনতাই করে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। ছিনতাই হওয়‌া ট্রাকে স্থানীয় ব্যবসায়ী তামিজউদ্দিনের ৪৬ বস্তা, জামিরউদ্দিনের ৬ বস্তা ও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের চুলের বস্তা ছিল বলে জানা গিয়েছে। বহরমপুরগামী বাসে সেই চুল নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। নিমতৌড়ির কাছে ৪১নং জাতীয় সড়কের উপর ঘটনাটি ঘটে। পালানোর পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের সাঁকরাইলের কাছে রোহিণীতে ওই ট্রাকের চালক, খালাসি ও মালিকপক্ষের এক প্রতিনিধি-সহ তিনজনকে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে যায় দুষ্কৃতীরা। সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন। চালক, খালাসি ও শেখ বাবলু জানিয়েছেন, সোমবার ভোরে তমলুকের ভান্ডারবেড়িয়ার কাছে দু’টি ছোট গাড়ি তাঁদের পথ আটকায়। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে জোর করে তিন জনকেই আলাদাভাবে দুটি গাড়িতে তুলে দিয়ে দুষ্কৃতীদের একজন ট্রাকটি নিয়ে চম্পট দেয় খড়্গপুরের দিকে। আর তাঁদের সাঁইরাইলের রোহিণীর জঙ্গলে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। ঘটনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পরচুলা ব্যবসায়ীরা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আংশিকভাবে খুলল বেঙ্গল সাফারি পার্ক, এখনও হদিশ নেই চিতাবাঘের]

Advertisement

ব্যবসায়ীদের বক্তব্য,  “চুরি হয়ে যাওয়া ওই মাল উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রায় দেড়শো ছোট ব্যবসায়ী ও হাজার দশেক শ্রমিক। ওই মাল বিক্রির পরেই টাকা পেতেন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। তাঁরা ঋণ করেই ব্যবসা চালান। ওই মাল উদ্ধার না হলে শুধু ব্যবসায় সঙ্কট নয়, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা না খেয়ে মারা যাবেন।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.