বাংলায় জইশ জাল
Hamim Mondal

হাওড়ার পিলখানায় জঙ্গি হামিমের দোকানের হদিশ! ওই ডেরা থেকেই কি মুখ্যমন্ত্রীর উপর নজরদারি?

অবশেষে হাওড়া পিলখানার কাছে জঙ্গি হামিম মণ্ডলের দোকানের হদিশ মিলল। কী কাজ হত সেখানে? সেখানে জামার ট্যাগ তৈরির কাজ চলত।

Advertisement
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ১৩:২৬

options
link
হাওড়ার পিলখানায় জঙ্গি হামিমের দোকানের হদিশ! ওই ডেরা থেকেই কি মুখ্যমন্ত্রীর উপর নজরদারি?
পিলখানায় জঙ্গি হামিমের দোকানের হদিশ! নিজস্ব চিত্র

অবশেষে হাওড়া পিলখানার কাছে জঙ্গি হামিম মণ্ডলের দোকানের হদিশ মিলল! কী কাজ হত সেখানে? প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামার ট্যাগ তৈরির কাজ চলত। ওইসব ছাপানোর আড়ালে কি অন্য কিছু চলত? ওই ঠিকানার আড়াল থেকেই কি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার ছক কষা হচ্ছিল? বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারী।

Advertisement

দিন কয়েক আগেই বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে। তাঁর সঙ্গে কাশ্মীরের যোগও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর খোঁজখবর, নজরদারি চলত? লোকজনদের দেখানোর জন্য নামেই কি ওই ব্যবসা? আড়ালে কি চলত জঙ্গি কাজকর্ম? সেই সব প্রশ্ন উঠেছে। প্রসঙ্গত, এখনও অবধি হামিল সম্পর্কে যে সব তথ্য তদন্তকারীদের কাছে এসেছে, সেসব যথেষ্ঠ বিস্ফোরক, ভয়াবহ।

Advertisement
Hamim had shop at howrah, reportedly to track CM Suvendu Adhikari
এই ফ্ল্যাটেই থাকত হামিম। নিজস্ব চিত্র

হাওড়ার পিলখানায় হামিম থাকত বলে গ্রেপ্তারির শুরুতে জানা যায়। কিন্তু কোন এলাকায় সে থাকত, খোঁজ মিলছিল না! পিলখানার জনমজুর খাটা লোকজনও হামিমকে চিনতেন না বলে জানাচ্ছিলেন। শেষপর্যন্ত রবিবার সকালে হামিমের ঠিকানা উদ্ধার হয়। পিলখানার আলম মিস্ত্রি লেনের এঁদো গলি। একাধিক ছোটখাটো দোকান, এক-দু’কামরার ফ্ল্যাট। সেই গলির ৭ নম্বর বাড়িতেই ঘাঁটি গেড়েছিল হামিম। ওই বহুতলেই গ্যালাক্সি  নামে একটি গেস্ট হাউস আছে। এছাড়াও ওই বহুতলে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে। বহুতলের একতলার একটি ফ্ল্যাটেই ভাড়া ছিল হামিম। 

Advertisement
Hamim had shop at howrah, reportedly to track CM Suvendu Adhikari
এই সেই গ্যালাক্সি গেস্ট হাউস। নিজস্ব চিত্র

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হামিম ও তাঁর বাবা সেখানে থাকতেন। লোকজন জানতেন সেখানে ব্যবসা চলে। দুটি ঘরের একটি জামার ট্যাগ তৈরির মেশিন চলত। অন্য ঘরে কম্পিউটারে অফিসিয়াল কাজকর্ম হত। বাবার নাম মনিরউদ্দিন মণ্ডল। হামিম জঙ্গিমূলক কাজকর্ম করত, জেনেই হতবাক স্থানীয়রা। ওই বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, গত ২ বছর ধরে ওই জায়গা ভাড়া নেওয়া হয়েছে। একটি ঘর ৭ ও অন্যটির ৪ হাজার টাকা ভাড়া। হামিমকে গত দু’মাস ধরে এলাকায় দেখা যায়নি। তার গ্রেপ্তারির খবর ছড়াতে বাবাও গা ঢাকা দিয়েছে! 

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, হামিমের বাবার সঙ্গে যাতায়াতের পথে সামান্য কথাবার্তা হত। তবে ছেলের সঙ্গে কখনও কথা হয়নি তাঁর। হামিমের বাবাকে গত দিন দশেকের মধ্যে এলাকায় দেখা যায়নি! সেই কথাও জানিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। ওই ব্যক্তি সম্পর্কে সত্যিই হামিমের বাবা তো? নাকি চক্রের অন্য কেউ বাবা পরিচয়ে হামিমের সঙ্গে থাকছিলেন? সেই চর্চাও শুরু হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.