Jibantala

ঘেঁষতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না কাকপক্ষীকেও, জীবনতলার হোল্ডিং সেন্টার যেন ‘দুর্গ’

দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য তৈরি হল হোল্ডিং সেন্টার। ক্যানিং মহকুমায় জীবনতলা থানার ঝোড়রমোড় এলাকায় ওই হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। ঘেঁষতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না কাকপক্ষীকেও। জীবনতলার হোল্ডিং সেন্টার যেন 'দুর্গ'।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ১৫:৫১

options
link
ঘেঁষতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না কাকপক্ষীকেও, জীবনতলার হোল্ডিং সেন্টার যেন ‘দুর্গ’
এই সেই হোল্ডিং সেন্টার। নিজস্ব নিত্র

দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য তৈরি হল হোল্ডিং সেন্টার। ক্যানিং মহকুমায় জীবনতলা থানার ঝোড়রমোড় এলাকায় ওই হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। ঘেঁষতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না কাকপক্ষীকেও। জীবনতলার হোল্ডিং সেন্টার যেন ‘দুর্গ’। ইতিমধ্যেই সেখানে পাঁচজন অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তা মধ্যেই তাঁদের সেখানে রাখা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে সেই কথা জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিস্তীর্ণ এলাকা। ফলে জেলায় মাত্র একটি হোল্ডিং সেন্টার থাকবে? নাকি আরও একাধিক সেন্টার আগামী দিনে তৈরি হবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, এই বাড়িটি কর্ম তীর্থ হিসেবে কাজে লাগানো হয়েছিল। ২০১৮ সালের এই কর্ম তীর্থ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। তারপর ২০২০ সালে করোনার সময়ে সেখানে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করা হয়েছিল। তারপর থেকে ফাঁকাই পড়েছিল এই কর্ম তীর্থ সেন্টারটি। জেলায় হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে উঁচু পাঁচিলের ব্যবস্থা রাখতে হবে, তার উপরে কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে। জীবনতলা থানার তরফ থেকে পুলিশ কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। সিসিটিভিতে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চলছে। ওই এলাকায় কাউকে ঘেঁষতেও দেওয়া হচ্ছে না। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জীবনতলা থানার তরফ থেকে পুলিশ কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। সিসিটিভিতে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চলছে। যে পাঁচজন সেখানে আছেন, তাঁদের দিনে তিনবার খাবারের ব্যবস্থাও রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনওভাবেই ফাঁক রাখতে রাজি নয় প্রশাসন।

যে পাঁচজন সেখানে আছেন, তাঁদের দিনে তিনবার খাবারের ব্যবস্থাও রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনওভাবেই ফাঁক রাখতে রাজি নয় প্রশাসন। এ বিষয়ে ক্যানিংয়ের মহাকুমা শাসক প্রবীণ মালিয়াল বলেন, “রাজ্য সরকারের যা গাইডলাইন আছে সেই সমস্ত ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সিসিটিভি নজরদারি তৈরি করা হয়েছে। খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২৪ ঘন্টা সেখানে পুলিশ মোতায়ন রাখা হয়েছে। যে বিষয়গুলো এখনও তৈরি করা সম্ভব হয়নি, সেগুলো দ্রুত তৈরি করে দেওয়া হবে।” ঘুটিয়ারি শরিফ, মল্লিকপুর এবং সোনারপুর এলাকা থেকে ওই পাঁচজনকে পাকড়াও করা হয়েছে। তবে তাঁদের কবে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে? এই নিয়ে অবশ্য কিছু জানাতে পারেননি প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। অনুপ্রবেশকারী পাঁচজনকে ফেরত পাঠানোর জন্য সমস্ত কাগজপত্র তৈরির করার প্রক্রিয়া চলছে। সেসব সম্পন্ন হয়ে গেলেই তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন