Annapurna Yojana

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি! অন্নপূর্ণার টাকা তুলতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ গৃহবধূর, ব্যাপারটা কী?

এই নিয়ে গোটা গ্রাম জুড়ে হইচই পড়ে যায়। খবর চলে যায় পুলিশে। তারপর আসল ঘটনাটি সামনে আসে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৯:৫৮

options
link
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি! অন্নপূর্ণার টাকা তুলতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ গৃহবধূর, ব্যাপারটা কী?
ঘটনার তদন্ত করে আসল সত্য বের করল পুলিশ। নিজস্ব ছবি।

দিনমজুর পরিবারের গৃহবধূর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি টাকা! অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা তুলতে গিয়ে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট দেখে চক্ষু চড়কগাছ জটেশ্বরের ওই গৃহবধূর। অ্যাকাউন্টে এত টাকা কীভাবে এল? তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে না তো? এই একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিজয় ওরাওকে বিষয়টি জানান ওই মহিলা। এই নিয়ে গোটা গ্রাম জুড়ে হইচই পড়ে যায়। খবর যায় পুলিশের কাছে। তারপর আসল ঘটনাটি সামনে আসে।

Advertisement

ওই গৃহবধূর নাম শম্পা বর্মণ। তাঁর বাড়ি জটেশ্বর পুলিশ ফাঁড়ির অধিন কড়াইবাড়ি গ্রামে। এদিন তিনি ধুলাগাঁও এলাকার একটি কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে দেখা যায়, তাঁর অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি আটষট্টি লক্ষ টাকা আছে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গৃহবধূর বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। তদন্তে নেবে ওই মহিলাকে নিয়ে ব্যাঙ্কে হাজির হন তদন্তকারীরা। ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়, তাঁর ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স মাত্র ২১৬ টাকা। কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের রসিদে যে টাকার অঙ্ক দেখিয়েছিল সেটি আসলে ১০ সংখ্যার একটি ফোন নম্বর। 

Advertisement

ওই ১০ সংখ্যার ফোন নম্বরে ফোন করে পুলিশ জানতে পারে, এটি কেরালা রাজ্যের একটি টেলিফোন নম্বর। কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স হিসেবে ১০ সংখ্যার ওই ফোন নম্বর ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে ছেপে বেড়িয়েছে। এরপরই সব আতঙ্ক গলে জল হয়ে যায়। জেলা পুলিশ সুপার অমিত কুমার এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.