চোরাচালান

চোরাচালান রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ, কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল

এর জন্য জমিও কেনা হচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৯, ১৭:৪৮

options
link
চোরাচালান রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ, কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল
ছবি: প্রতীকী

রাজা দাস, বালুরঘাট: খোলা থাকা ২৫ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে সচেষ্ট হয়েছে বিএসএফ। এই অঞ্চলে কাঁটাতার না থাকায় চোরাচালান বৃদ্ধির পাশাপাশি অনেকটাই অসুরক্ষিত রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। তাই এই এলাকায় জমি অধিগ্রহণের মধ্যে দিয়ে কাঁটাতার দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে বলেই খবর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি রোগীদের]

জানা গিয়েছে, দেশের সব প্রান্তে থাকা সীমান্তগুলিকে আরও সুরক্ষিত করতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী মাস কয়েক আগে এই জেলায় এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এরপরই এই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় কাঁটাতার দেওয়ার ব্যাপারে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিএসএফ। সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বিএসএফ আধিকারিকদের এই বিষয়ে একটি বিশেষ বৈঠকও হয়ে গিয়েছে। সেখানেই জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি উঠে আসে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেননা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তিনদিকে ২৫২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। এর মধ্যে হিলি ব্লকের হাঁড়িপুকুর, উজাল, গোবিন্দপুর ও মথুরাপুর-সহ কুমারগঞ্জ ব্লক ও তপন ব্লকে মোট ২৫ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতারবিহীন। বিএসএফ প্রহরা থাকলেও রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে সেই এলাকাগুলি দিয়ে চলে গরু-সহ নানা সামগ্রীর পাচারের কাজ। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদীরাও ভারতে প্রবেশ করে। এর আগেও এই বিষয়টি সামনে এসেছিল। ব্যাপারগুলিকে মাথায় রেখেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে উন্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া লাগানোর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাড়ির কাছেই আক্রান্ত বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে]

এপ্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি ও ভূমি সংস্কার) প্রণব ঘোষ বলেন, ‘কাঁটাতারের বেড়া দিতে ৪৫ একর জমির প্রয়োজন। কিছু কৃষকের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা জমি দিতে সম্মত হয়েছেন। বাকি জমির জন্য স্থানীয় বিডিওরা কথা বলবেন অন্য কৃষকদের সঙ্গে। এনিয়ে বিএসএফের সঙ্গে রাজ্য এবং জেলাস্তরে বৈঠকও হয়েছে।’

এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া ছড়িয়ে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষদের মনে। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান অনেকটা কমবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.