Anubrata Mondal

ফের টাকার পাহাড়-উদ্ধার ৮০০ গ্রাম সোনা! গ্রেপ্তার অনুব্রতের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল

দীর্ঘ তল্লাশি পর সায়গল হোসেনের ফ্ল্যাটে মিলল 'টাকার পাহাড়'। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে ১৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। মিলেছে ৮০০ গ্রাম সোনাও।

দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১৩:২৬

options
link
ফের টাকার পাহাড়-উদ্ধার ৮০০ গ্রাম সোনা! গ্রেপ্তার অনুব্রতের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল
গ্রেপ্তার অনুব্রতের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল।

দীর্ঘ তল্লাশি পর সায়গল হোসেনের ফ্ল্যাটে মিলল ‘টাকার পাহাড়’। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে ১৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। মিলেছে ৮০০ গ্রাম সোনাও। গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে। ওই ফ্ল্যাট থেকে বিপুল সম্পত্তির নথি পাওয়া গিয়েছে। পাথর-বালি মাফিয়া টুলু মণ্ডলের সঙ্গে সায়গলের যোগ কতটা রয়েছে? এই বিপুল সম্পত্তি, টাকা কি টুলুর? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।  শুধু তাই নয়, আরব ও পাকিস্তানের মুদ্রাও ওই ফ্ল্যাট থেকে মিলেছে। 

Advertisement

অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী থাকার সুবাদে সায়গল হোসেনের জেলায় যথেষ্ঠ রাজনৈতিক প্রভাব, ক্ষমতা রয়েছে! সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেই বালি ও পাথর পাচারে তিনি টুলুকে সাহায্য করতেন। এমনই প্রাথমিক মত তদন্তকারীদের। জেলা পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বোলপুরের ফ্ল্যাট থেকে ১৫০টিরও বেশি জমির দলিল উদ্ধার হয়েছে। বোলপুরের রবীন্দ্রবীথি বাইপাস সংলগ্ন সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে শনিবার বিকেল থেকে তল্লাশি অভিযান শুরু করে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা। সাহগেল হোসেন নিজেই উপস্থিত ছিলেন সেখানে। তল্লাশির পাশাপাশি তাঁকে দীর্ঘ জেরাও চলে। 

Advertisement

রাতেই সায়গলকে আটক করা হয়েছিল। রাজ্য পুলিশের দাবি, দীর্ঘ তল্লাশিতে একাধিক জমির দলিলে অসঙ্গতি এবং হিসাব-বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সায়গলকে দীর্ঘ জেরায় বক্তব্যে প্রচুর অসঙ্গতি মেলে। শেষপর্যন্ত রাত তিনটের পর অনুব্রতের প্রাক্তন দেহরক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতেই ধৃতকে ওই ফ্ল্যাট থেকে বার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আজ, সায়গলকে আদালতে তোলা হবে। ধৃতকে ধারাবাহিক জেরা করে আরও তথ্য পেতে চাইছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, তল্লাশিতে বিভিন্ন জেলার নামে বেনামে জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement

সেই সম্পত্তির উৎস কী? কার নামে, কীভাবে ওই সম্পত্তি কেনা হয়েছিল? এর পিছনে অন্য কারও আর্থিক যোগসূত্র রয়েছে কি? এইসবই কি টুলুর সম্পত্তি? সেইসব প্রশ্নের উত্তর বার করতে মরিয়া পুলিশ। এর আগেও টুলুর প্রচুর পরিমাণ বেআইনি সম্পত্তি, বিপুল টাকা উদ্ধার হয়েছে একাধিক জায়গায়। এই পাথর-বালি মাফিয়া সেসব অন্যদের কাছে আড়ালে রাখতেন। এদিন তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক সেহগালকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.