Humayun Kabir

ফের বেলাগাম, অধীরের সঙ্গেই এবার আসন রফার হুমকি হুমায়ুনের!

পালটা আক্রমণ তৃণমূলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২৫, ০৯:১৮

options
link
ফের বেলাগাম, অধীরের সঙ্গেই এবার আসন রফার হুমকি হুমায়ুনের!

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: নিত‌্যনতুন দলবিরোধী মন্তব‌্য করে সংবাদ মাধ‌্যমে শিরোনাম হওয়াই মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের এখন অভ‌্যাসে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরাই। শনিবারও জেলা তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব সরকারকে টার্গেট করে হুমায়ুনের মন্তব‌্য, “রাজনীতিতে সব কিছুই সম্ভব। যে অধীর চৌধুরিকে ২০২৪-এ হারিয়েছি তাঁর সঙ্গেই দরকার হলে বিধানসভা ভোটে ‘সিট অ্যাডজাস্টমেন্ট’ করব।” দিন কয়েক আগে জেলা তৃণমূল সভাপতি বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসকে যদি কেউ চ্যালেঞ্জ করে, সেই চ্যালেঞ্জ বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করছি।” তার জবাবে এবার পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন হুমায়ুন।

Advertisement

অবশ‌্য হুমায়ুন অধীর প্রসঙ্গ টেনে আনার ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই তাঁকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন মুর্শিদাবাদ জেলা মহিলা তৃণমূল নেত্রী ফতেমা বিবি। তাঁর চ‌্যালেঞ্জ, “হুমায়ুনের ক্ষমতা থাকলে আমাকে ভোটে হারিয়ে দেখাক। তৃণমূলের প্রতীক ছাড়া একজন সাধারণ মানুষ হিসাবে হুমায়ুনকে ভোটে দাঁড়াতে হবে রেজিনগরে, আমি তাঁর বিরুদ্ধে আমজনতার হয়ে লড়াই করব, ক্ষমতা থাকলে হুমায়ুন সেই ভোটে জয়ী হয়ে দেখাক।” এরপরই ফতেমার দাবি, “হুমায়ুন কবীর একসময় তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু জেলার অন্য কোনও সংখ্যালঘু নেতা কেউই কিন্তু বিজেপিতে যাননি। হুমায়ুনকে জেলার কোনও নেতা পছন্দ করেন না। মাথার উপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আছে বলেই আমাদের মতো কর্মীদের জয় হচ্ছে।” এদিনও হুমায়ুনের মন্তব‌্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাম না করে পাল্টা কটাক্ষ করে অপূর্ব বলেন, “ফুটপাথে বসে কে কী বলছে, তাতে আমি বা দল কেউ গুরুত্ব দেন না।”

Advertisement

ফের দলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন হুমায়ুন কবীর। তৃণমূলই তৃণমূলের শত্রু বলে দাবি করলেন তিনি। তার ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে দলকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। শুক্রবার পুলিশের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৃণমূল বিধায়ক। রাজ্য নেতৃত্বকেও আরও একবার সতর্ক করেন ভরতপুরের বিধায়ক। বলেন, “আমি ভরতপুরে ৪৩ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছিলাম; এখন লোকসভার লিড ১৭ হাজারে নেমে এসেছে-এই দায় নেবে জেলা নেতারা। রাজ্য এই কাঠিবাজি বন্ধ না করলে আমি সবসময় প্রস্তুত আছি; রাস্তায় যেখানে দেখব সেখানে বিক্ষোভ দেখাব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.