Baruipur

পালিয়েও শেষরক্ষা হল না, ৭ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার বারুইপুরের হাড়হিম হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত

স্ত্রীকে খুন করে পুঁতে দিয়েছিল ধৃত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২৩, ১৩:৪৯

options
link
পালিয়েও শেষরক্ষা হল না, ৭ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার বারুইপুরের হাড়হিম হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত
প্রতীকী ছবি।
 

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: সপ্তাখানেকের মধ্যেই পুলিশের জালে বারুইপুরের হাড়হিম হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত। ধৃতের নাম রবীন মণ্ডল। মগরাহাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ধৃতকে তোলা হবে আদালতে।

Advertisement

উত্তর মনসাতলার বাসিন্দা রবীন মণ্ডলের সঙ্গে প্রায় ২০ বছর আগে বিয়ে হয় ইন্দ্রপালারই বাসিন্দা অঞ্জলির। প্রেম করেই বিয়ে হয় তাঁদের। দুই পুত্রসন্তানও আছে। একজনের বয়স ১৯। আরেকজন ১৪ বছর বয়সি। তারা মামার বাড়িতেই থাকে। রবীন বেআইনিভাবে মদ বিক্রি করত বলে খবর। পুলিশের খাতাতেও নাম রয়েছে তার। বহুবার জেলবন্দিও ছিল সে। গত ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হয় সে। পুজোর আগেই জামিনে মুক্তি পায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: তিস্তায় মাছের মড়ক! জলদূষণই কারণ? কারণ খুঁজতে দল পাঠাচ্ছে মৎস্য দপ্তর]

জামিনে মুক্তির পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে ফের অশান্তি শুরু হয়। অভিযোগ, মদ্যপানের টাকা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে সারাক্ষণ ঝগড়াঝাটি হত তার। স্ত্রী এবং সন্তানদের রবীন মারধর করত বলেও অভিযোগ। দশমীর দিন শেষবার প্রতিবেশীরা চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ পান। তার পর থেকে আর অঞ্জলিকে দেখতে পাননি কেউ। বাপের বাড়ির লোকজনও অঞ্জলির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। দুশ্চিন্তায় রবীনের বাড়িতে আসেন তাঁরা। অঞ্জলি কোথায়, তা রবীনের থেকে জানতে চাওয়া হয়। তবে সদুত্তর দিতে পারেনি সে। তাতেই সন্দেহ আরও জোরাল হয়। এর পর খুঁজতে খুঁজতে ছাগল রাখার ঘরে যান অঞ্জলির বাপের বাড়ির লোকজন। তাঁরা দেখেন ছাগল রাখার ঘরের মাটি খোঁড়া হয়েছে। এর পর সেখানেই মাটির নিচে মেলে অঞ্জলির দেহ। এদিকে বিষয়টা জানাজানি হতেই এলাকা ছাড়ে রবীন। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না। মগরাহাট থেকে গ্রেপ্তার করা হল রবীনকে। কেন এই খুন, তা জানার চেষ্টায় তদন্তকারীরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে ‘খুন’, দেহ নিয়ে থানার বাইরে বিক্ষোভ, ব্যাপক উত্তেজনা খড়দহে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.