JP Nadda

দেবী শয়নকক্ষে থাকাকালীন দর্শনের অনুমতি নেই, নাড্ডার সর্বমঙ্গলা মন্দিরে যাওয়া নিয়ে জটিলতা

এর আগে রোড শো'র অনুমতি নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২১, ১১:৩৪

options
link
দেবী শয়নকক্ষে থাকাকালীন দর্শনের অনুমতি নেই, নাড্ডার সর্বমঙ্গলা মন্দিরে যাওয়া নিয়ে জটিলতা

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: রোড শো’র পর নাড্ডার (JP Nadda) সর্বমঙ্গলা মন্দির দর্শন নিয়েও তৈরি হল জটিলতা। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, শনিবার দুপুর ৩টে ৫মিনিটে ওই মন্দিরে যাওয়ার কথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির। কিন্তু দুপুর ১টা থেকে ৪টে পর্যন্ত দেবী থাকেন শয়নকক্ষে। মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকে ওই সময়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিভিআইপির সফরের বিষয়ে আগে থেকে তাঁদের কিছুই জানানো হয়নি। তাই ওই সময়ে মন্দিরে নাড্ডা গেলেও দেবীর দর্শন সম্ভব নয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে কোনওভাবেই দর্শনের অনুমতি দেওয়া যাবে না বলেই সাফ জানিয়েছে মন্দিরের ট্রাস্ট বোর্ড। আদৌ নাড্ডা প্রতিমা দর্শন করতে পারেন কিনা, সেদিকেই নজর সকলের। 

Advertisement

 বিধানসভা নির্বাচনের আগে শনিবার পূর্ব বর্ধমান সফর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির। অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে প্রথমে কাটোয়ার জগদানন্দপুরে যাবেন তিনি। সেখানে গোপীনাথ জিউ মন্দিরে পুজো দিয়ে মুস্থুলি গ্রামে জনসভা রয়েছে জেপি নাড্ডার। তারপর সংলগ্ন মুস্থুলি গ্রামে কৃষক সুরক্ষা জনসভায় যোগ দেবেন। সভা শেষে কয়েকজন কৃষকের বাড়ি গিয়ে এক মুঠো করে শস্য সংগ্রহ করবেন। তিনি মধ্যাহ্নভোজন সারবেন কৃষক মথুরা মণ্ডলের বাড়িতে। মেনুতে থাকছে ভাত, সোনামুগের ডাল, শাক, আলুভাজা, ফুলকপি-পনিরের তরকারি, চাটনি, পাঁপড়, দই ও নলেন গুড়ের রসগোল্লা। তারপর জিটি রোডের বীরহাটা থেকে কার্জন গেট পর্যন্ত রোড শো করবেন। সেখানে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেওয়ার কথা রয়েছে নাড্ডার। তবে সেই সময় দেবী শয়নকক্ষে থাকেন, তাই নাড্ডার মন্দির পরিদর্শন নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক-অস্ত্রশস্ত্র, গ্রেপ্তার ২]

এদিকে, নাড্ডার জেলা সফরের আগে ফ্লেক্স, ব্যানার টাঙানো নিয়ে তৈরি হয়েছে অশান্তি। তৃণমূলের অভিযোগ, একাধিক জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন ফ্লেক্স, ফেস্টুন ছিঁড়ে দিয়েছে বিজেপি। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস পুলিশকেও বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরাও চাইলে প্রতিরোধ করতে পারতাম রাস্তায় নেমে। কিন্তু বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি আসছেন তাই কোনও অশান্তি চাইছি না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: নিজের বুথে ‘দলীয় সৈনিক’ হিসাবে কাজ করুন, নেতা-কর্মীদের বার্তা চন্দ্রিমার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.