সুমন করাতি, হুগলি: আর জি কাণ্ডে দোষী সঞ্জয় রায়ের কেন ফাঁসি হল না? এই প্রশ্নে সরগরম গোটা বাংলা। এরই মাঝে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ইস্যুতে মুখ খুললেন। বললেন, “হাই কোর্ট বলেছিল নজিরবিহীন, কিন্তু নিম্ন আদালতের মনে হল না!” প্রশ্ন তুললেন, অভয়া কাণ্ড বিরলতম না হলে ধনঞ্জয়ের ফাঁসি হল কেন? সিবিআই রাজনীতি করছে বলেও তোপ দাগলেন তিনি।
ঠিক কী বলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়? সাংসদ এদিন বলেন, “আর জি কর মামলার শাস্তি ঠিক হল না। শাস্তিটা যাবজ্জীবনের জায়গায় ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। কেন বিচারক বললেন এটা বিরলতম ঘটনা নয় সেটা আমি আজও বুঝতে পারলাম না। তাহলে বিরল থেকে বিরলতম ঘটনাটা কী? কোন কোন ঘটনাগুলো বিরল থেকে বিরলতম হবে। একজন মহিলাকে ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। সাধারণ খুন নয়। কত চোট পেয়েছে।” এরপরই তিনি বললেন, “তাহলে ধনঞ্জয়ের মামলাটা কী করে বিরল থেকে বিরলতম হল? কেনই বা হল হল?”
কল্যাণ এদিন আরও বলেন, “সব থেকে বড় কথা, কলকাতা হাই কোর্টের একজন মাননীয় বিচারপতি ডাক্তারদের মিটিং-মিছিলের পারমিশন দিতে গিয়ে নির্দেশে বলেছিলেন, এটা নজিরবিহীন ঘটনা। হাই কোর্টের বিচারপতি বলছেন ‘ইট ইজ আনপ্রেসিডেন্সিয়াল ইনসিডেন্ট’। এখানে বিচারক বলছেন, এটা বিরল থেকে বিরলতম নয়। দুটোর মধ্যে আমি তফাৎ দেখতে পাচ্ছি।” এদিন সিবিআইকেও নিশানা করলেন কল্যাণ। বললেন, “রাজ্য হাই কোর্টে গিয়েছে সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য। সিবিআই বিরোধিতা করছে। ভাবুন একবার কেন করছে।” দুজনের দাবি যেখানে এক সেখানে এই বিরোধী স্রেফ রাজনীতি বলেই দাবি কল্যাণের।
উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালের ৫ মার্চ ভবানীপুরের আনন্দ অ্যাপার্টমেন্টে এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় যুক্ত অভিযোগে বাঁকুড়ার ছাতনার কুলুডিহি গ্রামের বাসিন্দা ও ওই আবাসনের নিরাপত্তাকর্মী ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিচারের পর ২০০৪ সালের ১৪ আগস্ট ফাঁসি হয়।
সর্বশেষ খবর
-
সোমালিয়ার সমুদ্রে জলদস্যুদের তাণ্ডবে নিহত কলকাতার নাবিক, শোকে পাথর পরিবার
-
ফ্লাই দুবাইয়ের হামলাকারী সহ-পাইলটের ইরান যোগ! সাংঘাতিক ইঙ্গিত ট্রাম্পের
-
আগেও বহুবার সাউথ পয়েন্টের আহত সহপাঠীকে ‘টার্গেট’, কেন বারবার হামলা? তদন্তে পুলিশ
-
ফ্লাই দুবাই মনে করাচ্ছে কান্দাহার বিমান অপহরণ, মিউনিখ গণহত্যার মতো ঘটনাকে
-
পুজোয় পুরী যাওয়ার পথে একরাত কাটুক জঙ্গলে, সাফারিতে দেখা পেতে পারেন হাতিরও