Tapan Kandu Death

তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে কিংপিনের মৃত্যু, ‘দোষীদের সাজা দিচ্ছে ঈশ্বর’, বলছেন কংগ্রেস নেতার ছেলে

২০২২ সালের ১৩ই মার্চ বিকালে হাঁটতে বেরিয়ে আততায়ীদের গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যান ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু।

সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৬, ১৪:০৬

options
link
তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে কিংপিনের মৃত্যু, ‘দোষীদের সাজা দিচ্ছে ঈশ্বর’, বলছেন কংগ্রেস নেতার ছেলে
তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডে কিংপিনের মৃত্যু

তপন কান্দু (Tapan Kandu) হত্যাকাণ্ডের আরও এক বিচারাধীন বন্দির মৃত্যু। সোমবার পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় কিংপিন কলেবর সিংয়ের। শুটারদের চিনিয়ে দিয়েছিল সে। এর আগে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ঝালদা শহরের বাসিন্দা হোটেল মালিক তথা তৃণমূল নেতা সত্যবান প্রামাণিকের।

Advertisement

মৃত কলেবর সিংয়ের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের জরিডি থানার গাইছাঁদ গ্রামে। এক সময় ঝালদা শহরে ভাড়াবাড়ি থেকে সবজির ব্যবসা করত। সবজির ব্যবসার আড়ালেই অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে গিয়েছিল সে। দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কলেবরের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ছিল। ব্রেন স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়। দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সুপারিনটেন্ড কাম ভাইস প্রিন্সিপাল সুকোমল বিষয়ী বলেন, “ওই বিচারাধীন বন্দির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল। ব্রেন স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।” এই ঘটনায় নিহত তপন কান্দুর ছেলে দেব বলেন, “বাবার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যারা দোষী তাদেরকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনাচ্ছেন ভগবান। আমার আশা বিচার পাবই।”

Advertisement

২০২২ সালের ১৩ই মার্চ বিকালে হাঁটতে বেরিয়ে আততায়ীদের গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যান ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। এই ঘটনায় পুরুলিয়া জেলা পুলিশের সিট তদন্ত করলেও পরবর্তীকালে সিবিআই তদন্তভার পায়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তপন কান্দুর দাদা নরেন কান্দু, ভাইপো দীপক কান্দু। এরা দু’জন-সহ জামিনে ছাড়া পান ঝালদার কুটিডি গ্রামের বাসিন্দা আসিফ খান। তবে এই ঘটনায় জড়িত শুটার শেখ জাবির ও শশীভূষণ সিং এখনও পুরুলিয়া সংশোধনাগারে বিচারাধীন অবস্থায় বন্দী। উল্লেখ্য, ঝালদা পুরসভার ক্ষমতা দখল ঘিরে তপন কান্দু মারা গেলে পরবর্তীকালে তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু উপ-পুরপ্রধান হন। কিন্তু তিনিও মারা যান। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার পেটে ক্ষতিকারক পদার্থের কথা উল্লেখ ছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.