Mamata

‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, ভাঁওতাবাজি’, কর্মসংস্থান নিয়ে একযোগে মমতাকে কটাক্ষ বাম-কংগ্রেসের

কিছুদিন পরে মুখ্যমন্ত্রীর চাকরি থাকবে না, কটাক্ষ অধীরের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২০, ১৯:০১

options
link
‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, ভাঁওতাবাজি’, কর্মসংস্থান নিয়ে একযোগে মমতাকে কটাক্ষ বাম-কংগ্রেসের

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: কর্মসংস্থান ও তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার প্রবল সমালোচনা করল কংগ্রেস ও বামেরা। ভোট আসতেই রাজ্য ফের যুবকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ এই দুই দলের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিনেদুপুরে ভিড়ে ঠাসা স্টেশনে হকারের উপর অ্যাসিড হামলা, নেপথ্যে পুরনো শত্রুতা?]

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরী কটাক্ষ করেন, কিছুদিন পরে মুখ্যমন্ত্রীর চাকরি থাকবে না। প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা শাসকদল তছরুপ করছে বলে অভিযোগ বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর। রাজ্যে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য ও কেন্দ্র বেকারদের চাকরি নিয়ে মিথ্যার প্রতিযোগিতা করছে বলে অভিযোগ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর। গত বছর মুখ্যমন্ত্রী ৩৫ লক্ষ চাকরি হয়েছে বলে যে দাবি করেন, তা কোথায় হয়েছে জানতে চান তিনি। ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী বেকার যুবকদের সঙ্গে মিথ্যার বেসাতি করছেন বলে তাঁর অভিযোগ। বেকারত্বের জ্বালার ঘায়ে নুন না ছেটানোর আবেদন করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

Advertisement

এদিকে, বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাজ্য সরকার শাসকদলের কর্মীদের লুটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর। জনগণেরর টাকায় পার্টির প্রচার হচ্ছে। সরকারকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই তো পঞ্চায়েত ও পুরসভা। তাহলে পঞ্চায়েত ও পুরসভা কাজ করেনি তা ঘুরিয়ে সরকার স্বীকার করে নিল বলে দাবি করেন তিনি। রাজ্যের বেকারদের সঙ্গে সরকার খেলা করছে। এই বেকাররাই তৃণমূল সরকারকে আগামী ভোটে বুঝিয়ে দেবে বলে দাবি করেন বাম পরিষদীয় দলনেতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না’, সুর চড়িয়ে তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত ‘কংগ্রেস’ বিধায়কের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.