সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়, দুর্গাপুর: পশ্চিমবাংলায় নেতাদের বাড়িতে ঢুকতে গেলে সেনা নামাতে হবে। শনিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ফের রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন বর্ধমান দূর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।
শুক্রবার দেশে দ্বিতীয় দফার লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) নির্বাচনের থাকলেও দুপুর গড়াতেই সকলের নজর ছিল ‘শাহজাহানের গড়’ সন্দেশখালিতে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, ন্যাজাট থানার অর্ন্তগত একটি মাছের ভেড়ি সংলগ্ন বাড়িতে অভিযান চালায় সিবিআই। সেই বাড়ির মেঝের নিচে আগ্নেয়াস্ত্র পেয়ে ডেকে আনা হয় এনএসজি কমান্ডোদের। উদ্ধার করা হয় তিনটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশি পিস্তল, এমনকী পুলিশের কোল্ট রিভলভর। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই নিয়ে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ বলেন, “একবার ভাবুন এখানে ভোট করাতে সিআরপিএফ আনতে হয়। আজ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য কমান্ডো নামাতে হল। আমরা কোথায় পোঁছে গিয়েছি। পুলিশের কোনও কাজ নেই। সমাজবিরোধীরা এমন দাপাচ্ছে যে কমান্ডো আনতে হচ্ছে। এবার নেতাদের বাড়িতে ঢুকতে গেলে সেনা নামাতে হবে।”
[আরও পড়ুন: পরিচিতর ডাকে সাড়া, পার্ক স্ট্রিটের নামী হোটেলে গিয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ব্যবসায়ীর]
এর পরেই বসিরহাট জেলা পুলিশকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, “শাহজাহান সিপিএম আমলে পিস্তল নিয়ে ঘুরত। এখন একে৪৭ আর বিদেশি অস্ত্র নিয়ে ঘুরত। ওর বাড়িই থানা ছিল। পুলিশ তো ওর কর্মচারী। যা বলত তাই করত।” বাংলাকে সন্ত্রাসবাদীদের গড় তৈরি করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মানুষের চাকরি খেয়ে নিচ্ছে বিজেপি। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের করা এহেন মন্তব্যে দিলীপ বলেন, “উনি আগে মানুষকে বোঝান কে চাকরি খেকো, কে পয়সা খেকো। আদালতের রায়ে চাকরি হারানো ছেলেমেয়ে ও যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন, তাঁদের দায়িত্ব উনাকেই নিতে হবে।”
[আরও পড়ুন: ‘পার্স ভুলে গিয়েছি, ৬০০ টাকা পাঠান’, ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের কাছে আর্জি ‘ধোনি’র!]
সর্বশেষ খবর
-
ভোরবেলা মোদিকে ফোন করতে চান ট্রাম্প! ‘বন্ধুরা এরকমই’, মন্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
-
এসআইআর ইস্যুতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ইন্ডিয়ার, সই করল ‘দলছুট’ আপ-ডিএমকেও
-
প্রেমের টানে ধর্মান্তর, দাড়ি কেটে ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন উত্তরপ্রদেশের যুবক, গ্রেপ্তার প্রেমিকা
-
‘সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব’, ডিম ছোড়া বন্ধে রাজ্যকে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ আদালতের
-
আরবানায় থাকার যোগ্যতা থেকে ফুটপাথের মেয়েকে অসম্মান, রচনার ‘কুবচনে’ ফুঁসছেন ঋদ্ধি- ঋত্বিক-শ্রীলেখারা