CAA

‘মুখ্যমন্ত্রী থাকার অধিকার হারিয়েছেন মমতা’, CAA নিয়ে তোপ দিলীপের

মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন রাজ্যপালও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৫:২৯

options
link
‘মুখ্যমন্ত্রী থাকার অধিকার হারিয়েছেন মমতা’, CAA নিয়ে তোপ দিলীপের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করেন না মমতা। ভারতের সংবিধান-আইন অস্বীকার করেন মুখ্যমন্ত্রী। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে গণভোট করা হোক মন্তব্যের জেরে এই ভাষাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার তিনি বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করেন না, সংবিধান-আইন মানতে চান না উনি। মুখ্যমন্ত্রী থাকার অধিকার হারিয়েছেন মমতা। বাংলাকে উনি একটা আলাদা দেশ ভাবেন।’ শুধু এই বলেই ক্ষান্ত থাকেননি মেদিনীপুরের সাংসদ। আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের সুরে কথা বলছেন মমতা। কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান গণভোটের কথা বলে। এবার উনিও পাকিস্তানের মতো গণভোট চাইছেন।’

Advertisement

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রানি রাসমনিতে তৃণমূলের সমাবেশ থেকে মমতা দাবি তুললেন, ”দেশে গণভোট হোক। আপনি করবেন না, রাষ্ট্রসংঘের তত্বাবধানে হবে গণভোট। প্রয়োজনে একটা কমিটি তৈরি হোক। আমরা কেউ থাকব না, থাকবেন মানবাধিকার কর্মী ও বিশেষজ্ঞরা। ক্ষমতা থাকলে গণভোটে লড়ুন।” মোদি-শাহর নাম না করে পরোক্ষে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ”বলুন, হেরে গেলে পদত্যাগ করবেন?” এই দাবির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ বিষয়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রসংঘের দরবারে নিয়ে যেতে চাইছেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একটা বড় অংশ। আসলে, এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের নেপথ্যে একটা বড় ভূমিকা রয়েছে ১৯৫০ সালে নেহরু-লিয়াকত চুক্তির। যে চুক্তি অনুযায়ী, ভারত-পাকিস্তান ভাগাভাগির পর নিজ নিজ দেশের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদে এক স্থান থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ফলে দু’দেশেই গঠিত হয় সংখ্যালঘু কমিশন। এই লিয়াকত চুক্তি মানতে না পেরে নেহরুর মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: CAA’র সমর্থনে ঋত্বিক ঘটকের সিনেমাকে কাজে লাগাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি]

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কটাক্ষ করে বিঁধলেন রাজ্যপাল। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী যে পদে আছেন সেখানে বাইরের সংস্থাকে এনে দেশের সমস্যা মেটানোর কথা বলা উচিত নয়।’ এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেও মমতাকে গণভোট মন্তব্য প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন ধনকড়। যদিও সেই আবেদনের সাড়া পাননি বলেই দাবি রাজ্যপালের। এদিন সকালে ফের কয়েকটি টুইট করেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন