লিলুয়ায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই রঙের কারখানা

বিস্ফোরণের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৮, ১৩:৩৬

options
link
লিলুয়ায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই রঙের কারখানা

অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া:  হাওড়ার লিলুয়ায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই একটি রঙের কারখানা। সোমবার দুপুরে আচমকাই আগুন লেগে যায় কারখানাটিতে। কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দমকলের ৪টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। হতাহতের কোনও খবর নেই। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শট সার্কিট থেকেই আগুন লেগে গিয়েছিল। তবে কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ।

Advertisement

[নেটদুনিয়ায় ভাইরাল তরুণীর শাঁখা-সিঁদুর পরা ছবি, ভুয়ো পোস্টে ভাঙল বিয়ে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

লিলুয়ার অত্যন্ত জনবহুল এলাকা বেনারস রোড। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল একটি রঙের কারখানা। সোমবার দুপুরে ঘটল বিপর্যয়। প্রত্যক্ষদর্শীর জানিয়েছেন, বেলা ২টো নাগাদ ওই রঙের কারখানা থেকে আগুনের ফুলকি বেরতে দেখেন তাঁরা। ঘটনায় সময়ে কারখানায় কাজ করছিলেন বেশ কয়েকজন কর্মী। বিপদ বুঝে তড়িঘড়ি বেরিয়ে আসেন তাঁরা। চোখের নিমেষে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে রঙের কারখানা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কারখানায় প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। তাই অল্প সময়ে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পরপর বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গিয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। বেশ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। দমকলের অভিযোগ, কারখানাটিতে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ছিল না। কিন্তু, কীভাবে আগুন লাগল? প্রাথমিকভাবে দমকলের অনুমান, শট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। দিন কয়েক আগেই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল হাওড়ার ঘুসুড়িতে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছিল একটি তুলোর কারখানা।

Advertisement

[কাঁচা আম সস্তায় মিললেও এবছর পাকা আমের দাম চোখে জল আনবে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.