এক হাতে তাঁর রিভলবার, অন্য হাতে বাঁশি… দেখুন সেই পুলিশ অফিসারকে

রঞ্জন মহাপাত্র: এক হাতে তাঁর রিভলবার, অন্য হাতে বাঁশি। ছোট্টবেলা থেকেই বাঁশির সুর শুনে ঘরে থাকতে পারতেন না৷ কোথাও মেলা হচ্ছে শুনলেই মায়ের আঁচল ধরে সটান হাজির। কিচ্ছু চাই না। শুধু একখানি বাঁশিতেই খুশি। বাঁশি বাজিয়ে মাত করেছেন বহু মঞ্চ। এখন তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ইন্দ্রজিৎ বসু৷Advertisement [আজান শুনতে ভালই লাগে, … <p class="link-more"><a href="https://www.sangbadpratidin.in/bengal/meet-the-flute-playing-super-cop-of-purba-medinipur/pid/58465/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "এক হাতে তাঁর রিভলবার, অন্য হাতে বাঁশি… দেখুন সেই পুলিশ অফিসারকে"</span></a></p>

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০১৯, ১৮:২৮

options
link
এক হাতে তাঁর রিভলবার, অন্য হাতে বাঁশি… দেখুন সেই পুলিশ অফিসারকে

রঞ্জন মহাপাত্র: এক হাতে তাঁর রিভলবার, অন্য হাতে বাঁশি। ছোট্টবেলা থেকেই বাঁশির সুর শুনে ঘরে থাকতে পারতেন না৷ কোথাও মেলা হচ্ছে শুনলেই মায়ের আঁচল ধরে সটান হাজির। কিচ্ছু চাই না। শুধু একখানি বাঁশিতেই খুশি। বাঁশি বাজিয়ে মাত করেছেন বহু মঞ্চ। এখন তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ইন্দ্রজিৎ বসু৷

Advertisement

[আজান শুনতে ভালই লাগে, সোনুর টুইট বিতর্কে এবার সরব কঙ্গনা]

Advertisement

পুলিশের চাকরির সুবাদে আসামীদের পাকড়াও করতে কখনও হাতে তুলেছেন রিভলভার কখনও বা লাঠি৷ আবার সেই হাতেই বাঁশি বাজিয়ে মন জয় করছেন কলকাতার দমদমের বাসিন্দা তথা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ইন্দ্রজিৎ বসু৷ কাঁথির মহকুমা পুলিশ অফিসার ছিলেন৷ মাঝে বদলি হয়ে চলে যান রানাঘাটের মহকুমা পুলিশ অফিসার পদে৷ ফের পূর্ব মেদিনীপুরে। এখন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদে। রানাঘাটে থাকার সময় প্রচুর অনুষ্ঠান মঞ্চে বাঁশির সুর তুলেছেন তিনি৷ আবার কাঁথি এসেও জেলার বিভিন্ন মঞ্চে বাঁশির সুর তোলার আমন্ত্রণ পেয়েছেন৷ ইতিমধ্যে বেশ কিছু অনুষ্ঠানও করে ফেলেছেন৷

Advertisement

flute_web1

পুলিশে চাকরি। অবসর বড়ই কম। যেটুকু সময় পান তা বাঁশিতে সুর তুলেই কাটাতে ভালবাসেন। এখনও নিয়মিত রেওয়াজ করেন। ডিউটি অনুযায়ী কখনও রাত ১২টা, আবার কখনও বা ভোরে। ইন্দ্রজিৎবাবুর দাবি, চাকরির সঙ্গে কখনও মিশিয়ে ফেলেননি বাঁশি বাজানোকে। সকালে কখনও লাঠি হাতে পুলিশ কর্তা৷ আবার সন্ধ্যের পর মঞ্চে বাঁশি হাতে সুর তুলছেন৷ এমন পুলিশকর্তাকে দেখে অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনে থাকা দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়৷ পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তা থেকে পরিবারের সদস্য, বন্ধুরা সকলের সহযোগিতার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ইন্দ্রজিৎবাবু৷ তিনি বলেন, “শ্রোতারা আনন্দ পান। হাততালি দেন। সেটাই আমার কাছে সব থেকে বড় পাওনা৷”

[দিল্লি থেকে উদ্ধার ২০টি বেআইনি পিস্তল, আটক ১]

ছোট্ট বেলা থেকে বাঁশির সুর উদাস করে দিত৷ তাই পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্বভারতীর প্রয়াত পন্ডিত নিখিলেশ রায়ের কাছে বাঁশি বাজানোর তালিম নিতে শুরু করেন৷ এদিকে বয়স বাড়ছে। চাকরিও করতে হবে। এরপরই পুলিশের চাকরিতে যোগদান। ভাল বেহালাও বাজান তিনি। প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। কোথাও বেড়াতে গেলে বাঁশিকে সঙ্গী করতে ভোলেন না। এই তো হিমালয় গিয়েছিলেন। সেখানেও বাঁশি বাজিয়ে মন কেড়েছেন দেশ-বিদেশের পর্যটকদের।

 ছবি: রঞ্জন মহাপাত্র

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.