জটিল রোগে ভুগছে ছেলে, সাহায্যের আশায় সাইকেলে জেলা চষছেন বাবা

ছেলেকে সুস্থ করতে দোরে দোরে ঘুরছেন কাঁথির দেবাশিস পণ্ডা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৯, ১৮:১১

options
link
জটিল রোগে ভুগছে ছেলে, সাহায্যের আশায় সাইকেলে জেলা চষছেন বাবা

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: একমাত্র ছেলেকে সুস্থ করে তুলতে আর্থিক সহায়তার আবেদন নিয়ে দোরে দোরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঋণগ্রস্ত বাবা। এককথায় ছেলেকে সুস্থ করে তোলার জন্যে রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি শহরের বাসিন্দা দেবাশিস পণ্ডার। তিনি পেশায় সমাজ উন্নয়ন কর্মী। সামান্য ভাতাই পান। তাঁর ছেলে সৌম্যকান্তি পণ্ডা। ২০১৪ সাল থেকে ‘নিউরি সাইক্রিয়াট্রিক’ নামের জটিল রোগে আক্রান্ত। এই অসুখের কারণে আর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হয়ে ওঠেনি সৌম্যকান্তির। বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়ে আসছেন দেবাশিস বাবু। খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। এই টাকা জমি বিক্রি, ব্যাংক ঋণ এমনকি
আত্মীয় স্বজনের সাহায্য থেকেই জোগাড় করেছিলেন।

Advertisement
[জমিদার ভাইয়ের মৃত্যুতে স্মৃতি খুইয়ে পথে পথে ঘুরছেন বৃদ্ধা]

কিন্তু এখন প্রত্যেক মাসে ওষুধের খরচ প্রায় ৮ হাজার টাকা। সেইসঙ্গে অর্থাভাবের কারনে ছেলেকে বেঙ্গালুরু নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না দেবাশিস বাবুর। তাই কোন সহৃদয় ব্যক্তি যাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তারজন্যেই সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন নিজের একটি বহু পুরানো সাইকেল নিয়ে। লক্ষ্য একটাই, ছেলেকে এই জটিল রোগ থেকে মুক্তি দেওয়া। আর জন্যেই কখনও একবেলা খেয়ে কখনও না খেয়ে সকাল থেকেই দোরে দোরে ছেলের প্রেসক্রিপশন নিয়ে অর্থ সাহায্যের আবেদন নিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন দেবাশিষ বাবু। যদি কোনও ব্যক্তি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন এই আশা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও ছেলেকে সুস্থ করে তোলার আবেদন জানিয়েছেন দেবাশিষ বাবু।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[মসুলে নিহত তেহট্টের খোকন শিকদারের মেয়েকে চাকরির আশ্বাস রাজ্যের]

দেবাশিষ পণ্ডা জানান, ‘ছেলেকে জটিল রোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্যে সম্পত্তি বিক্রি থেকে ব্যাংক ঋণ সবটাই করেছি। এখন আর কিছু নেই যা বেচে ছেলের চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাই। তাই বিভিন্ন মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছে আবেদন করছি সহযোগিতা করার। এক শেষে চেষ্টা করে দেখছি ছেলেকে নতুন জীবন দিতে পারি কি না। আমার ফোন নম্বর ৭৮৭২৭৫০১৭৮ যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি যোগাযোগ করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে হয়তো আমার একমাত্র ছেলে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারবে।’

Advertisement

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.