Murshidabad

তৃণমূল সরকারের অসহযোগিতায় আটকে ছিল কাজ! বাধা কাটিয়ে অর্থনৈতিক করিডরের জমি দিল মুর্শিদাবাদ

প্রায় আট বছর আগে খড়গপুর-মোড়গ্রাম অর্থনৈতিক করিডর ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূল সরকারের সময় জমি জটে আটকে ছিল এই অর্থনৈতিক করিডরের কাজ।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ১৪:০৬

options
link
তৃণমূল সরকারের অসহযোগিতায় আটকে ছিল কাজ! বাধা কাটিয়ে অর্থনৈতিক করিডরের জমি দিল মুর্শিদাবাদ
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তর করছেন মুর্শিদাবাদের ডিএম। নিজস্ব চিত্র।

অর্থনৈতিক করিডরের ১১৬ (এ) জাতীয় সড়ক নির্মাণের জন্য এবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তর করল মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বহরমপুরে জেলাশাসক ভবনে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তর করেন জেলাশাসক। খড়গপুর থেকে বর্ধমান ভায়া মোড়গ্রাম পর্যন্ত নতুনভাবে নির্মাণ হবে অর্থনৈতিক করিডর। মোড়গ্রামের এই ১১৬ (এ) অর্থনৈতিক করিডর মিশে যাবে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে।

Advertisement

প্রায় আট বছর আগে খড়গপুর-মোড়গ্রাম অর্থনৈতিক করিডর ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূল সরকারের সময় জমি জটে আটকে ছিল এই অর্থনৈতিক করিডরের কাজ। রাজ্যে সরকার বদল হতেই সেই চিত্র বদলে যায়। জমি জট কাটিয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

Advertisement

মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় এই অর্থনৈতিক করিডর বড়ঞা, খড়গ্রাম, নবগ্রাম, সাগরদিঘি পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্ধমান থেকে বড়ঞায় প্রবেশ করে সাগরদিঘির মোড়গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৩৮.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের রাস্তা নির্মাণ হবে। সেই রাস্তা নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার ৮৯.৮১৬৪ একর জমি হস্তান্তর করা হয় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে। যে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে তার দীর্ঘ প্রায় ৬.০১ কিলোমিটার।

Advertisement

এখনও পর্যন্ত ২৫১.২২ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ৩৮.৮ কিলোমিটার রাস্তার জন্য প্রয়োজন ৫৮৬ একর জমি। এই জমি জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। জেলাশাসক আর অর্জুন বলেন, “৩৮.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মুর্শিদাবাদের এই অর্থনৈতিক করিডর, সেখানে প্রায় ১৬.০১ কিলোমিটার জমি দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই বাকিটা সম্পন্ন হবে।” জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের (বর্ধমান) প্রকল্প আধিকারিক সৌতম পাল বলেন, “খড়গপুর থেকে মোড়গ্রাম পর্যন্ত ছয়টি জেলায় ২৩০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ হবে। ৮০ শতাংশ জমি পেয়ে গেলেই কাজ শুরু হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.