Murshidabad

ফেসবুকে ‘চোর’ লিখে ইস্তফা! অধীরের হাত ধরে ‘ঘর ওয়াপসি’ শাহনাজ বেগমের

১৭ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন শাহনাজ বেগম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১৫:৩৩

options
link
ফেসবুকে ‘চোর’ লিখে ইস্তফা! অধীরের হাত ধরে ‘ঘর ওয়াপসি’ শাহনাজ বেগমের
নিজস্ব ছবি

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য শাহনাজ বেগম। শনিবার বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী শাহনাজ বেগম।

Advertisement

শনিবার বহরমপুর কংগ্রেস কার্যালয় চত্বরে অধীর চৌধুরী দলত্যাগী ওই নেত্রীকে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে কংগ্রেসে যোগদান করান। উল্লেখ্য, শাহনাজ বেগম মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি ছিলেন, একসময় কৃষি কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেত্রীও ছিলেন। সেই শাহনাজ বেগম কংগ্রেসের যোগদান করায় অস্বস্তিতে পড়ল জেলা তৃণমূল কংগ্রেস বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

গত ১৭ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন শাহনাজ বেগম। রেজিনগর বিধানসভার জেলা পরিষদের আসন থেকে তিনবার জয়ী হন শাহনাজ বেগম। কংগ্রেসের আসন থেকে জয়ের পর ২০১৬ সালে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ ভাঙার সময় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল শাহনাজ বেগমের। সেই সময় শাহনাজ তৃণমূলে যোগদান করেন। এরপর দুবার তৃণমূলের টিকিটে জেতেন তিনি।

Advertisement

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় পদ ছাড়লেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সদস্য শাহনাজ বেগম। ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে তিনি এই সংক্রান্ত ঘোষণা করেছেন। সেখানে স্পষ্ট লিখেছেন, ‘চোর জেলা পরিষদের একজন অংশীদার হয়ে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই আপনাদের দেওয়া টার্ম পূর্ণ হওয়ার আগেই আমি সদস্য পদ ত্যাগ করতে বাধ্য হলাম।’ শাহনাজ বেগমের নিশানায় মূলত জেলা পরিষদের সভাধিপতি, তৃণমূল নেত্রী রুবিয়া সুলতানা। তাঁর বিরুদ্ধে আগে একাধিকবার আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ তুলেছেন শাহনাজ বেগম।

এছাড়া, বহুদিন ধরে জেলা পরিষদের কোনও বৈঠক ডাকা হয় না, সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ, আলোচনা হয় না বলেও অভিযোগ তাঁর। তাঁর দাবি, দলনেত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের তরফে কোনও সাড়া মেলেনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.