হিমালয়ে হাহাকার
Nepal Flood

বিধ্বস্ত নেপালে নিখোঁজ বাংলার বহু, বসিরহাট-শিলিগুড়ির উদ্বিগ্ন পরিবারে হাহাকার

পরিবারের লোকজন ফোনে নেপালে আটকে পড়া পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১৫:৫২

options
link
বিধ্বস্ত নেপালে নিখোঁজ বাংলার বহু, বসিরহাট-শিলিগুড়ির উদ্বিগ্ন পরিবারে হাহাকার
নেপালে আটকে পড়া বসিরহাটের শিক্ষক দম্পতি। নিজস্ব চিত্র

মহাপ্রলয়ে বিধ্বস্ত নেপাল (Nepal Flood)। এই পরিস্থিতিতে নেপালে গিয়ে ‘নিখোঁজ’ বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতি। ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না তাঁদের সঙ্গে। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগে পরিবারের লোকজন এবং প্রতিবেশীরা।

Advertisement

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতি স্বপন মণ্ডল ও মৌ মণ্ডল বসিরহাট (Basirhat) পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের খান বাহাদুর রোডের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন সাতেক আগে তাঁরা নেপালে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের কৈলাসে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর থেকেই তাঁদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের আর কোনও যোগাযোগ নেই। মোবাইল বন্ধ থাকায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। স্বপন ও মৌ মণ্ডলের কোনও খোঁজ না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা। পরিবারের সদস্যদের একটাই আর্জি, যে কোনওভাবে তাঁদের সন্ধান পাওয়া গেলেই যেন মিলবে স্বস্তি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাঁরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুক তাই চান পরিজনেরা।

Advertisement

এদিকে, শিলিগুড়ির শান্তিনগর বউবাজার এলাকার বাসিন্দা সমর মণ্ডলও ঘুরতে গিয়ে বিপর্যস্ত নেপালে আটকে পড়েছেন। জানা গিয়েছে, গত ১৬ আগস্ট শিলিগুড়ি থেকে এজেন্সি মারফত নেপালের উদ্দেশ্যে তাঁর রওনা দেওয়ার কথা ছিল। পরিবারের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে তাঁর কথাও হচ্ছিল। কিন্তু মানস সরোবর পৌঁছনোর আগেই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়। কাজেই তিনি ফিরে আসতে চাইছিলেন বারবার। কিন্তু অন্যদিকে কৈলাস যাত্রার আকাঙ্খাও সামাল দিতে পারছিলেন না।

Advertisement
Samar-Mandal
নেপালে আটকে থাকা শিলিগুড়ির সমর মণ্ডল। নিজস্ব চিত্র

বুধবার তাঁর ইমিগ্রেশন সেন্টারের কাজ চুকিয়ে কাঠমান্ডু ফিরে আসার কথা। এটাই শেষ কথা হয় পরিবারের সঙ্গে। এই বিপর্যয়ের পর থেকে পরিবারের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। সমরবাবুর বৃদ্ধ মা-বাবা সংজ্ঞা হারাচ্ছেন বারবার। সমরবাবুর দাদা ইতিমধ্যেই ভাইয়ের খোঁজে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.