Malda Mothabari incident

মোথাবাড়ির কাণ্ডের তদন্তে স্বয়ং এনআইএ-র আইজি! কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ ২৪ জনের দল মালদহে

মোথাবাড়ি যাচ্ছেন স্বয়ং এনআইএ-র আইজি সোনিয়া সিং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৬:২২

options
link
মোথাবাড়ির কাণ্ডের তদন্তে স্বয়ং এনআইএ-র আইজি! কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ ২৪ জনের দল মালদহে
বিমানবন্দের এনআইএ-র আইজি সোনিয়া সিং।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে মালদহের ঘটনায় জাতীয় তদন্ত সংস্থাকে (এনআইএ) তদন্তভার দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছেছে এনআইএ-র টিম। মোথাবাড়ি যাচ্ছেন স্বয়ং এনআইএ-র আইজি সোনিয়া সিং। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে ২৪ জনের দল যাচ্ছে ঘটনাস্থলে। ইতিমধ্যেই ছোট একটি দল পৌঁছে গিয়েছে মোথাবাড়ি।

Advertisement

এসআইআরে নাম বাদ যাওয়ার ‘আক্রোশে’ মালদহের মোথাবাড়িতে এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রাখে জনতা। তাঁদের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। রাত ২টো পর্যন্ত পরিস্থিতির গতি প্রকৃতির আপডেট নেন স্বয়ং দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগযোগ করতে গিয়ে অসুবিধায় পড়েন। কমিশন, ‘তাঁদের নিযুক্ত’ রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি, এসপি, জেলাশাসক সুপ্রিম ভর্ৎসনার মুখে পড়েন। বিচারকদের হেনস্তা, সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের উপর আক্রমণ বলে জানায় আদালত। এনআইএ বা সিবিআই যে কোনও সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের কথা বলে সর্বোচ্চ আদালত। তদন্তের রিপোর্ট সরাসরি শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

Advertisement

এসআইআর, রাজ্যের নির্বাচন। বিচারকদের আটকে রাখা, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল। তাই সরাসরি আইজি পর্যায়ের অফিসার নিয়োগ করেছে এনআইএ। এমনটাই মনে করছে প্রশাসনিক মহল। এর আগে খাগড়াগড়, এগরা-সহ একাধিক বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্ত করছে এনআইএ। কিন্তু আইজি স্তরের আধিকারিককে সরাসরি নিয়োগ করা হয়নি। যা বেনজির বলেই মত ওয়াকিবহল মহলের।

Advertisement

বিচারকদের উপর ‘আক্রমণ’ নেহাত জনরোষ নয়! সরাসরি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংযোগের অভিযোগ সামনে এসেছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ তুলেছেন। কমিশন ব্যর্থ বলেও দাবি তাঁর। তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, রাজ্যের অফিসারদের বদলি করা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে। সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, বিচারপতিদের উপর আটকে রেখে বিক্ষোভ অনেকগুলি প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বিচারপতিরা কি কোনও চাপের মুখে কাজ করছেন? অন্যান্য রাজ্যে এসআইআর হলেও কেন এত গন্ডগোল হচ্ছে বাংলায়? এসআইআর প্রক্রিয়াতেও কি কোনও প্রভাব ছিল? মমতা দীর্ঘদিন দাবি করেছেন সময় নিয়ে হোক এই প্রক্রিয়া। এনআইএ-র রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে অনেক কিছুই। ৬ এপ্রিল প্রথম রিপোর্ট জমা পড়ার পর শুনানির পরই সব স্পষ্ট হবে। তবে ভোটমুখী কোনও রাজ্যের মামলায় এনআইএ-র আইজি পর্যায়ের অফিসার তদন্তের নেতৃত্ব দেবে। এই সিদ্ধান্ত বেনজির তা বলার অপেক্ষা রাখে না!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.