পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে মানা, শিক্ষিকাকে জ্যামিতি বক্স ছুড়ল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী

পরীক্ষার পরও মিলল না রেহাই, হেনস্তার শিকার শিক্ষিকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৯, ১৪:৪৩

options
link
পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে মানা, শিক্ষিকাকে জ্যামিতি বক্স ছুড়ল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেওয়ায় পরীক্ষার্থীদের হেনস্তার শিকার হলেন শিক্ষিকা। এমনই অভিযোগ উঠেছে পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর-২ ব্লকের শিরসি হাই মাদ্রাসায়। পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে ঢুকেছিল পরীক্ষার্থী। কর্তব্যরত শিক্ষিকা মোবাইলটি দেখতে পান। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলটি নিয়ে নেন। এই ঘটনায় আচমকাই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ওই পরীক্ষার্থী। পর্ষদের নিয়মের তোয়াক্কা না করেই শিক্ষিকার সঙ্গে বচসা জুড়ে দেয়। তাতেও তার শান্তি হয়নি। আচমকাই সঙ্গে  থাকা জ্যামিতি বক্সটি শিক্ষিকাকে লক্ষ্য করে ছুঁড়ে দেয়। অল্পের জন্য রক্ষা পান শিক্ষিকা নূপুর সাহা। তবে এখানেই থামেনি বিদ্রোহী পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষ হলে আরও বেশকিছু পরীক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে এসে নূপুরদেবীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। যদিও হেনস্তা প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে রাজি হননি নূপুর সাহা।

Advertisement

[মাতৃহারা কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ আত্মীয়দের, গ্রেপ্তার ২]

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষা চলাকালীন হলে মোবাইল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। অথচ বাইরের পরীক্ষার্থীরা এক রকম জোর করে পরীক্ষা হলে মোবাইল ব্যবহারের আবদার করে। তার ফলে যাবতীয় গোলমালের সূত্রপাত। এদিন ছিল জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষা। পরীক্ষার সময় এক পরীক্ষার্থী জোর করে মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। সেইসময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন পরীক্ষক নূপুরদেবী। এরপরেই অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী হঠাৎ পরীক্ষা চলাকালীন জ্যামিতি বক্স ছুঁড়ে ফেলে দেয়। তা ঘিরে সামান্য হই হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। পরীক্ষার শেষে বিক্ষুব্ধ ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষিকাকে ঘেরাও করে। খবর যায় স্থানীয় থানায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ওই পরীক্ষার্থীরা  সকলেই  করণদিঘির রহতপুর হাই মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনা প্রসঙ্গে রহতপুর হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক সহিদুর রহমান বলেন, “পরীক্ষা চলাকালীন কী হয়েছে জানা নেই। তবে পরীক্ষাকেন্দ্রের নিয়ম মানা উচিত প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর। তবে খোঁজ নিয়ে পরে জানাব।”  এদিকে শিরসি হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আবু তাহের বলেন, “কোনও ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা কাম্য নয়। কিন্তু পরীক্ষার নিয়ম না মেনে অসভ্য আচরণ করলে তো আইনানুগ ব্যবস্থা নিতেই হয়। তাই বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।”

Advertisement

[বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, কলকাতায় গ্রেপ্তার শিলিগুড়ির ব্যাংক কর্তা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.