Operation Sindoor

যুদ্ধ আবহে নেপাল সীমান্তে একাধিক ISI ঘাঁটি! নজরে সেনা ‘মুভমেন্টে’, রহস্যভেদের চেষ্টায় গোয়েন্দারা

নেপালের তিনটি জেলায় আইএসআই ঘাঁটি তৈরি করেছে বলে সূত্রের খবর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৫, ১৮:২২

options
link
যুদ্ধ আবহে নেপাল সীমান্তে একাধিক ISI ঘাঁটি! নজরে সেনা ‘মুভমেন্টে’, রহস্যভেদের চেষ্টায় গোয়েন্দারা

অর্ণব আইচ: পহেলগাঁওয়ে হামলার পর নেপাল সীমান্তে আইএসআইয়ের ১২ ঘাঁটির হদিশ। শরিফের দেশ থেকে অন্তত ১২ জন আইএসআই আধিকারিক উত্তরবঙ্গের অদূরে নেপাল সীমান্তে ওই ডেরা তৈরি করেছেন বলে। উত্তরবঙ্গ, উত্তর পূর্ব ভারত-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে সেনা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর মুভমেন্ট নিয়ে ওই টিম পাক সেনাদের খবর পাঠাচ্ছে বলে অভিযোগ গোয়েন্দাদের। অপারেশন সিঁদুরের পর ওই আইএসআই আধিকারিকদের কার্যকলাপ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। এদিকে পাক চর সংস্থার ওই আধিকারিকরা নেপালে বসেই বেশ কয়েকজন এজেন্টকে ডেকে পাঠিয়ে বৈঠক করেছে বলেও গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। উত্তরবঙ্গ ও নেপালের এই এজেন্টদেরও সন্ধানে গোয়েন্দাদের টিম। যেহেতু উত্তরবঙ্গে ‘চিকেন নেক’-এর নিরাপত্তার উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়, তাই আইএসআইয়ের এই কার্যকলাপটিকেও গোয়েন্দারা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।

Advertisement

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পরই পাকিস্তানের ইসলামাবাদের আবপাড়া থেকে নেপালের কাঠমান্ডুতে এসে পৌঁছয় আইএসআইয়ের ওই টিম। তারা পাকিস্তান দূতাবাসে গিয়ে বৈঠকও করে। ওই বৈঠকের পর টিমের সদস‌্যরা মূলত বেছে নেয় নেপালের তিনটি জেলা। ইলাম, ঝাপা ও তাপলেজং জেলায় আলাদাভাবে আইএসআইয়ের ওই আধিকারিকরা ঘাঁটি তৈরি করেন। গোয়েন্দাদের মতে, পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পরই পাক গোয়েন্দা সংস্থা আঁচ করে নেয় যে ভারত প্রত‌্যাঘাত করবে। তাই মূলত সেনাদের ‘মুভমেন্ট’ জানার প্রয়োজনেই নেপালের ওই জেলাগুলিতে ঘাঁটি তৈরি হয়। ওই তিনটি জেলার ঘাঁটিগুলি থেকে উত্তরবঙ্গ কাছেই। সেখান থেকে উত্তর পূর্ব ভারতের দিকেও নজর রাখা সম্ভব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গোয়েন্দাদের কাছে খবর বিহার, ঝাড়খণ্ড, অসম, মেঘালয় ও উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের কয়েকটি জেলায় আইএসআইয়ের এজেন্ট রয়েছেন। নেপালের নতুন ঘাঁটিতে বসে আইএসআইয়ের ওই আধিকারিকরা এজেন্টদের আলাদাভাবে ডেকে পাঠায়। সেখানেই হয় বৈঠক। এজেন্টদের উপর মূলত উত্তরবঙ্গ ও উত্তর পূর্ব ভারতের সেনা ছাউনির উপর নজরদারির ভার দেওয়া হয়েছে বলে খবর। কোনও জায়গা থেকে সেনাবাহিনীর ‘মুভমেন্ট’-এর উপর নজর রাখতে বলা হয়। আবার কোথাও থেকে সেনাদের ট্রেনে করে বা সড়কপথে অন‌্য জায়গায় পাঠানো হচ্ছে কি না, তা দেখা হয়। এ ছাড়াও বিএসএফ, ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ, এসএসবি-র মতো কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও ব‌্যাটালিয়ন এক জায়গা থেকে অন‌্য জায়গায় যাচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখে আইএসআইয়ের এজেন্টরা। যদিও অপারেশন সিঁদুরের পর ওই আইএসআই আধিকারিকরা নেপালের ঘাঁটিতে আদৌ রয়েছে, না কি ছেড়ে দিয়ে পালিয়েছে, সেই ব‌্যাপারে গোয়েন্দারা খবর নিচ্ছেন। যে এজেন্টরা নজরদারির দায়িত্বে ছিল, তাদের শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন