পদ্মশ্রী করিমুলের বাড়িতে মেডিক্যাল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা গ্রামবাসীর

করিমুল হকের আমন্ত্রণে মালবাজারে উপস্থিত বিভিন্ন প্রদেশের চিকিৎসকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৮, ১৯:২৭

options
link
পদ্মশ্রী করিমুলের বাড়িতে মেডিক্যাল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা গ্রামবাসীর

অরূপ বসাক, মালবাজার: বিনা পয়সায় মেডিক্যাল ক্যাম্প এবার পদ্মশ্রী করিমুল হকের বাড়িতে। সেবা পাগল মানুষটির আমন্ত্রণে এবার তাঁর বাড়িতে উপস্থিত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিকিৎসকরা। উদ্দেশ্য একটাই গ্রামবাসীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়া। ঘটনাস্থল উত্তরবঙ্গের মালবাজার মহকুমার রাজডাঙা এলাকা। পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলের পরে যখন বিজয় মিছিলে মেতেছে গোটা এলাকা, তখনই অন্য ছবি এই রাজডাঙাতে। পদ্মশ্রী করিমুল হকের বাড়িতে চলছে মেডিক্যাল ক্যাম্প। গ্রামের বাসিন্দারা আসছেন দলে দলে পরিষেবা নিতে। এভাবেই কাটল গোটা দিন। রাজনৈতিক দলের জয় নিয়ে আনন্দ ভুলে চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে খুশি এলাকাবাসী। গ্রামের বাসিন্দাদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে পেরেও তৃপ্ত করিমুল হক। নিজের মুখেই বললেন, তিনি একা নন, এই কাজে তাঁর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করেছেন দুই ছেলে। বিভিন্ন প্রদেশের চিকিৎসকরাও তাঁর ইচ্ছের মর্যাদা রেখেছেন। প্রত্যেকের কাছে তিনি কৃতজ্ঞ।

Advertisement

[একই গাছে ১২ প্রজাতির আম ফলিয়ে তাক লাগালেন এই প্রাক্তন শিক্ষক]

মাত্র একদিনের মেডিক্যাল ক্যাম্প। তাতেই যেন উৎসবের মেজাজ করিমুল হকের বাড়িতে। মুম্বই, কলকাতা, দিল্লি, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি থেকে চিকিৎসকরা এসেছেন, রোগী দেখছেন। সবমিলিয়ে প্রায় এক হাজার বাসিন্দা বিনামূল্যে এই পরিষেবা পেলেন। এতেই খুশি গ্রামবাসী। আমন্ত্রিত চিকিৎসকরা দিনভর রোগী দেখলেন। কেউ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, কেউ গ্যাস্ট্রোএনট্রোলজিস্ট, কেউ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। দিনভর পরিশ্রমের পরেও কারও মুখের হাসি মেলায়নি। সকলেরই এক বক্তব্য, দেশের প্রতিটি গ্রামে একজন করে করিমুল হক থাকা উচিত। তাহলেই গ্রামের সাধারণ বাসিন্দারা চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ পাবেন। উনি যেভাবে গ্রামবাসীর জন্য পরিশ্রম করছেন, তা এককথায় অনন্য।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

karimul-haque

Advertisement

এত প্রশংসায় বেশ বিব্রত পদ্মশ্রী করিমুল হক। তবুও হাসি মুখে জানালেন নিজের বক্তব্য। তিনি বলেন, ‘মানুষের সেবা করাই এখন আমার ধর্ম। আমি নিজের টাকা খরচ করে হাসপাতাল করছি। যাতে গ্রামের মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা পান এই হাসপাতাল থেকে। তাহলেই আমার উদ্দেশ্য সফল হবে। আজ বিভিন্ন এলাকা থেকে খ্যাতনামা চিকিৎসকরা এসেছেন। আমার ডাকে এই গ্রামে। তাঁদের আমি ধন্যবাদ জানাই। এখন শুধু আমি নই,  আমার সঙ্গে দুই ছেলেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে গ্রামের মানুষের সেবার ব্যবস্থা করছে।’

[অনুশীলন চলাকালীন প্রতিশ্রুতিমান বাস্কেটবলারের মৃত্যু, শোকের ছায়া বর্ধমানে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.