অভিভাবকের সঙ্গে শিক্ষিকার হাতাহাতি, পঠনপাঠন শিকেয় রামপুরহাটের স্কুলে

অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে শোকজের সিদ্ধান্ত পরিদর্শকের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৮, ২০:০৫

options
link
অভিভাবকের সঙ্গে শিক্ষিকার হাতাহাতি, পঠনপাঠন শিকেয় রামপুরহাটের স্কুলে

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: অভিভাবকের সঙ্গে শিক্ষিকার হাতাহাতিতে। শিকেয় উঠল রামপুরহাট ঋষি অরবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঠনপাঠন। পশ্চিমচক্রের ওই প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকাকে নিয়ে বিতর্কে বিরক্ত প্রধান শিক্ষক থেকে অভিভাবকরা। তার জেরেই বৃহস্পতিবার ঘটনা চরমে ওঠে। অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে শোকজের সিদ্ধান্ত পরিদর্শকের।

Advertisement

[ক্ষমতায় এলে কর্নাটকে মহিলাদের স্মার্টফোন, ১ শতাংশ হারে ঋণের আশ্বাস বিজেপির]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছে, রামপুরহাট পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজ সংলগ্ন ঋষি অরবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুলের ছাত্রছাত্রী ১০৫ জন। শিক্ষিকা তিনজন। স্কুল পরিষ্কার করার সময় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী রুক্সা খাতুনের সঙ্গে একই ক্লাসের বিশ্বেশ্বর দত্তর মারামারি হয়। বিশ্বেশ্বরের মা ওই স্কুলের সহকারি শিক্ষিকা মুক্তি সেন। মারামারির বিষয়টি বিশ্বেশ্বর মাকে জানাতেই মুক্তি সেন রুক্সাকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপরেই রুক্সা স্কুল সংলগ্ন কসাইপাড়ার বাড়ি থেকে মা ফরিদা বিবিকে ডেকে নিয়ে আসে। মেয়েকে কেন মেরেছেন শিক্ষিকার কাছে জানতে গেলে মুক্তি সেন তাঁকেও হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি মীমাংসা করতে গেলে তাকেও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement

অভিভাবিকা ফরিদা বলেন, “আমার মেয়েকে নিয়মিত মারধর করেন ওই শিক্ষিকা। এমনকি মেয়ে স্কুলে হাজির থাকলেও খাতায় অনুপস্থিত করে রাখেন তিনি। ওই শিক্ষিকার জন্যই স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে”। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মেরী মুর্মু বলেন, “মুক্তি সেনের জন্য স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। উনার জন্য নিয়মিত স্কুলের পঠনপাঠন নষ্ট হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা অভিভাবক থেকে স্কুল পরিদর্শক সর্বত্র জানিয়েছি। কিন্তু কোনও সমাধান হয়নি। ফলে স্কুলে দিন দিন ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমছে”। একই দাবি সহকারি শিক্ষিকা স্নিগ্ধা দাস দালালের। স্কুলের রাঁধুনি কৃষ্ণা কর্মকার বলেন, “ওই শিক্ষিকা মাঝে মধ্যেই স্কুলে অসংলগ্ন আচরণ করেন। কখন কখন রান্নাঘরে ঢুকে পাম্প খুলে দেন। উনি ছেলেমেয়েদের আমন মারধর করেন তাতে অনেক পড়ুয়া ভয়ে মিড ডে মিলের খাবারও পর্যন্ত খায় না”।

[প্রকাশ্য শৌচ বন্ধ করতে গ্রামে নিজের হাতে শৌচালয় গড়ছেন ৮৭ বছরের বৃদ্ধা]

যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা মুক্তি সেন বলেন, “আমার ছেলেকে রুক্সা খাতুন মারে। ওকে বকাবকি করতেই তার মা স্কুলে এসে আমাকে মারতে শুরু করে। আমাকে স্কুলের সকলে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা করছে। আর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, রাঁধুনি এবং অভিভাবকদের সমর্থন করছে”। পশ্চিমচক্রের স্কুল পরিদর্শক দেবব্রত ঘোষ বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। আপাতত ওই শিক্ষিকাকে পাঠদান থেকে বিরত রাখছি। সেই সঙ্গে তাকে শোকজ করা হবে। সদুত্তর না পেলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে”।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.