Peanut seller Bhuban Badyakar wants to be a singer

‘কাঁচা বাদাম’ গান দিয়েছে জনপ্রিয়তা, এবার গায়ক হওয়াই লক্ষ্য ভুবন বাদ্যকরের

ভুবন বাদ্যকরকে সাহায্যের হাত বাড়াল আসানসোলের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২১, ১৯:২০

options
link
‘কাঁচা বাদাম’ গান দিয়েছে জনপ্রিয়তা, এবার গায়ক হওয়াই লক্ষ্য ভুবন বাদ্যকরের

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: আমার কাছে নাইকো বুবু ভাজা বাদাম/আমার কাছে আছে শুধু কাঁচা বাদাম…। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এই দুই লাইন। ফেসবুক হোক কিংবা রিলস, সর্বত্র কান পাতলে শোনা যাচ্ছে ভুবন বাদ্যকরের গান। বীরভূমের কুড়ালজুড়ির বাড়িতে এখন মানুষের ঢল। জনপ্রিয় ইউটিউবার স্যান্ডি সাহা আগেই দেখা করেছেন ভুবন বাদ্যকরের সঙ্গে। এবার তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন বার্নপুরের একঝাঁক তরুণ-তরুণী। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা বাদ্যকরের হাতে তুলে দিলেন পিয়ানো। শাল, কম্বল, ফুল ও মিষ্টি দিয়ে করা হয় সংবর্ধনা। বাদ্যযন্ত্র পেয়ে আবেগে আপ্লুত ভুবন বাবু।

Advertisement

পেটের তাগিদে বাদাম বেচতে হলেও তিনি গানকেই ভালবাসেন। তাই বাদাম বিক্রির মধ্যে দিয়েও তিনি তাঁর শিল্পীসত্ত্বাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। গান রচনা করেছিলেন। কথা ও সুর দিয়ে সেই গান নিজেই গেয়েছিলেন। বাদাম ভাজার ফাঁকে গেয়েছিলেন, ”আমার কাছে নাইকো বুবু ভাজা বাদাম, আমার কাছে আছে শুধু কাঁচা বাদাম।”  ব্যাস, এক গানেই তিনি হয়ে গেলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তবে জনপ্রিয়তার জন্য বাড়তি কোনও লাভ পাননি তিনি। পরিবর্তে তাঁর আয় কার্যত বন্ধ হতে বসেছে তাঁর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: এবার নিজের রক্তেই বাঁচবে রোগীর প্রাণ, যুগান্তকারী ব্যবস্থা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের]

কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দারা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যদের অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “গান ভাইরাল হওয়ার পর ইউটিউবার ও  ব্লগারদের দৌরাত্ম্যে ভুবন বাদ্যকর অতিষ্ঠ। গত কয়েকদিন ধরে আয় নেই। বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন ব্লগাররা। গান গাওয়াচ্ছেন। ভিডিও করে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু বাদাম বিক্রেতা ভুবনের ভাঁড়ার শূন্যই থেকে যাচ্ছে।” কুড়ালজুড়ি গ্রামের মানুষের দাবি এই অত্যাচার এবার বন্ধ হওয়া উচিত। তাঁরা আরও বলেন, “ভুবনবাবু ভাল গায়ক। ফেরিওয়ালা হিসাবে নয়, আমরা ওনাকে স্টেজে গায়ক হিসাবে দেখতে চাই। ওনার সেই গুণ আছে বলেই সবাই এত ভালবাসেন।”

Advertisement

লক্ষ্মীলাভ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আক্ষেপের শেষ নেই খোদ ভুবন বাদ্যকারের। তিনি বলেন, “আমাকে অনেকে ব্যবহার করছে। ব্লগারদের অত্যাচারে গলা বসে গিয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়েছি। একদিন বাদাম বিক্রি করতে গেলাম। কেউ কিনলই না। সবাই বলল কাকু আপনি তো ভাইরাল হয়ে গিয়েছেন। গান শোনান। তারপর থেকে আর বাদাম বিক্রি করতে পারিনি। তবে পাশের জেলার এই ছোট্ট ছেলেমেয়েরা যে সম্মান দিলেন তাতে আমি খুশি। আমি পিয়ানো শিখবো। স্টেজে গান গাওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করব।”  

[আরও পড়ুন: Kolkata Municipal Election: কলকাতা পুরভোটে প্রার্থী স্ত্রী, প্রচার করতে হিমালয় থেকে নেমে এলেন স্বামী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.