Bijpur TMC Leader

পুলিশের ‘বারমুডা মডেল’, এবার বীজপুরে কোমরে দড়ি বেঁধে ধৃত তৃণমূল নেতাকে ঘোরাল পুলিশ

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, যেকোনও অসামাজিক কার্যকলাপের ক্ষেত্রে 'জিরো টলারেন্স' নীতি হবে পুলিশকে। তারপর থেকেই কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের ধরপাকড় লেগেই রয়েছে।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ১৭:৩১

options
link
পুলিশের ‘বারমুডা মডেল’, এবার বীজপুরে কোমরে দড়ি বেঁধে ধৃত তৃণমূল নেতাকে ঘোরাল পুলিশ

একসময় রেলপুলিশের কোয়ার্টার থাকত তার হাতের মুঠোয়। কে থাকবে, কে থাকবে না – তা স্থির করত বনি। সেখানে অসামাজিক কাজকর্মও চলত। বীজপুরের তৃণমূল যুব নেতা সেই বনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্যান্ডো গেঞ্জি, বারমুডা পরিয়ে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হল গোটা এলাকা। অনেকেই তাকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগানও দেয়।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তের প্রয়োজনীয়তায় বনিকে বৃহস্পতিবার কাঁচরাপাড়ার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ঘোরানো হয়। বনির দাবি, “যারা চুরি করেছে, তারা পালিয়ে গিয়েছে। আমি চুরি করিনি। তাই এখনও এখানেই আছি।” গত ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় বারাকপুর কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে বনির বচসার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। তারপর থেকেই এলাকায় তার রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের দাবি।

Advertisement

সেই সময় থেকেই তৃণমূলে দ্রুত উত্থান হয় বনির। স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরবর্তী সময়ে কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান কমল অধিকারীর ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে বনির দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর ধীরে ধীরে তৎকালীন বিজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এবং সাংসদ পার্থ ভৌমিকের ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ধৃত বনি চালাতে থাকেন বলে অভিযোগ। সরকারের পালাবদলের পর পুরনো আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় বনিকে গ্রেপ্তার করে বীজপুর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্দারমণি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Advertisement

এর আগে উত্তর হাওড়ার ‘ত্রাস’ আকাশ সিংকেও অলিগলিতে ঘোরায় পুলিশ। কুখ্যাত দুষ্কৃতীর পরনে ছিল স্যান্ডো গেঞ্জি এবং আন্ডারওয়্যার। একেবারে মাথা নিচু করে পুলিশের সঙ্গে ঘুরতে দেখা গিয়েছে তাকে। বলে রাখা ভালো, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, যেকোনও অসামাজিক কার্যকলাপের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি হবে পুলিশকে। তারপর থেকেই কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের ধরপাকড় লেগেই রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.