ধীমান রায়, কাটোয়া: যেমন করেই হোক লকডাউন সফল করতে হবে। ঘরমুখী করতে হবে সাধারণ নাগরিকদের। সেই কারণে অভিনব উদ্যোগ নিল পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বর থানার পুলিশ। তাঁদের নির্দেশে এলাকাবাসীদের ঘরে বন্দি রাখতে এবার বাজারের ব্যাগ হাতে তুলে নিয়েছেন সিভিক ভলান্টিয়াররাই। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁরাই খবর নিচ্ছেন কার কী প্রয়োজন। এরপর ফর্দ মিলিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন সামগ্রী।
লকডাউন সত্ত্বেও বিভিন্ন জায়গায় থেকে অকারণ জমায়েতের ছবি উঠে আসছে প্রতিদিন। পুলিশের কড়া নজরদারিতে তা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ১০০ শতাংশ আয়ত্তে আসেনি পরিস্থিত। তাই অনেক ভাবনা চিন্তা করে এক উপায় খুঁজে বার করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। নিজেরাই এলাকার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে কী কী প্রয়োজন তা খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের। ওষুধ থেকে মুদিখানা, ফর্দ মিলিয়ে সব কিছুই তাঁরা পৌঁছে দিচ্ছেন বাড়িতে। লক্ষ্য একটাই, এলাকাবাসীরা যাতে বাড়ি থেকে বের না হন।
[আরও পড়ুন: শেওড়াফুলির করোনা আক্রান্তের দুর্গাপুর-বাঁকুড়া ভ্রমণ, আতঙ্কে ভিনজেলার বাসিন্দারাও]
পুলিশের এই উদ্যোগে যার পর নাই খুশি এলাকার একাকী বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা। কারণ, পরিচারিকারা ছুটিতে তাই এই মূহূর্তে খাদ্যসামগ্রী হাতে তুলে দেওয়ার মতো কেউ নেই। মন্তেশ্বরের এক পুলিশ অফিসার বলেন, “লকডাউনকে একশো শতাংশ সফল করতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা নিয়ে তাঁদের প্রয়োজন মত মালপত্র কিনে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের বাড়িতে।”
ছবি: জয়ন্ত দাস।
[আরও পড়ুন: তেহট্টর রোগী থেকে সংক্রমণের আশঙ্কা, মুর্শিদাবাদের যুবককে হোমে আইসোলেশনে পাঠাল পুলিশ]
সর্বশেষ খবর
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে পালটা জবাব ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে
-
আন্তর্জাতিক যুব দিবস: সাফল্যের দৌড়ে হাঁপিয়ে উঠছে তরুণ মন! কেন দরকার ‘ইমোশনাল সেফটি’?