সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মদন তামাং হত্যা মামলায় বড় স্বস্তি বিমল গুরুংয়ের। মামলা থেকে একমাত্র অব্যাহতি পেলেন মোর্চা সুপ্রিমো। বাকি ৪৭ জনের বিরুদ্ধে অবশ্য চার্জ গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নগর দায়রা আদালত। যার মধ্যে রয়েছেন বিমল গুরুংয়ের স্ত্রী আশা গুরুং, রোশন গিরির মতো নেতারা। আগামী ২৮ আগস্ট এই মামলার চার্জ গঠন হবে।
[‘রাস্তা জুড়ে নমাজ বন্ধ না হলে থানায় জন্মাষ্টমী পালনেও বাধা দেওয়ার অধিকার নেই’]
গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে আন্দোলনে পাহাড়ে ক্রমশ ব্যাকফুটে বিমল গুরুং। অনশন তুলে নিয়েছে যুব মোর্চা। পুরনো মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য পাহাড়ে সক্রিয় হয়েছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মদন তামাং হত্যা মামলায় গুরুং রেহাই পেলেন। ঘটনায় ৪৮ জনের নামে চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। তাদের বিরুদ্ধে ১২০ বি অর্থাৎ খুনের চেষ্টা এবং ৩০২ অর্থাৎ খুন, এই দুটি ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। বৃহস্পতিবার শুনানিতে গুরুংয়ের আইনজীবীরা জানান, মদন তামাং হত্যাকাণ্ডের সময় কালিম্পংয়ে ছিলেন তাঁদের মক্কেল। এই ঘটনায় চক্রান্ত প্রমাণ অসম্ভব। যাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ রয়েছে তাঁকে কেন ছাড়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সরকারপক্ষ। সওয়াল জবাবের শেষে নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারক জানান মোর্চা সভাপতির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ মেলেনি। তাই তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। গুরুং ছাড়াও বাকি অভিযুক্তরাও অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে বাকি ৪৭ জনের বিরুদ্ধে অবশ্য মামলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
[সোনাগাছির যৌনকর্মীদের দুর্গাপুজোর অনুমতি কলকাতা হাই কোর্টের]
এই মামলায় এক দিন আগে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছিলেন বিমল গুরুং। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সিকিমে মামলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আরজি জানিয়েছিল মোর্চা। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। ইতিমধ্যে পুরনো মামলায় অভিযুক্তদের খোঁজে পাহাড়ে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। মোর্চা সভাপতি বিমল গুরুংয়ের অবৈতনিক স্কুলের দখল নিয়েছে আধা সেনা। সেখানে তারা ক্যাম্প করেছে। গত কয়েকদিন ধরে মোর্চা সভাপতি পাতলেবাসের আস্তানা ছেড়ে লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। মদন তামাং হত্যা মামলায় বিচার শুরু হলে চার্জশিটে নাম থাকা সবাইকে কলকাতায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। মোর্চা সূত্রে খবর, এই কারণে অজ্ঞাতবাস রয়েছেন গুরুং। প্রসঙ্গত, গত ২০১০ সালের ২১ মে গোর্খা লিগ সভাপতি মদন তামাং খুন হয়েছিলেন। সভাস্থলে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। প্রথমে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল সিআইডি। তারপর এর তদন্তভার সিবিআই হাতে নেয়। নগর দায়রা আদালতের সিদ্ধান্তে গুরুং রেহাই পেলেও বাকিদের কলকাতায় আসতে হবে।
সর্বশেষ খবর
-
উরুগুয়েকে হারিয়ে পরের রাউন্ডে স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে ভোজিনহার কেপ ভার্দেও
-
আবেগের নাম শ্যামাপ্রসাদ! ভারত কেশরী ‘ঘনিষ্ঠ’ শতায়ু অফিসারকে শ্রদ্ধা বিজেপি নেতার
-
‘কালো হিরে’র হ্যাটট্রিকে স্বমহিমায় ফরাসি বিপ্লব, নরওয়েকে গোলের মালা ফ্রান্সের
-
কন্ডোম-খাট-বালিশ, বিধাননগরে তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিস যেন হোটেল! দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী
-
‘কী করে ওকে বলব…?’ ভূমিকম্পে মেয়ের প্রাণ বাঁচিয়ে মৃত স্ত্রী, ভেঙে পড়লেন ভেনেজুয়েলার ফুটবলার