SIR in West Bengal

সশরীরে হাজিরা দিতে হল না, অশীতিপর কান্তির বাড়িতেই SIR শুনানি

শুনানির নোটিস পেয়ে চরম বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন বাম জমানার মন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:২৯

options
link
সশরীরে হাজিরা দিতে হল না, অশীতিপর কান্তির বাড়িতেই SIR শুনানি

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: দীর্ঘদিনের বিধায়ক, মন্ত্রী। তারপরও এসআইআরে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছিল অশীতিপর বাম নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। চরম বিস্মিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারপরও তিনি রাজি ছিলেন বিডিও অফিসে গিয়ে শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে। তবে শেষপর্যন্ত ৮২ বছরের কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়কে আর কোথাও যেতে হয়নি, শুক্রবার মথুরাপুরের ২ নং ব্লকে তাঁর বাড়িতে এসেই শুনানি করলেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। বিএলও কবিতা দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, ম্যাপিংয়ের সমস্যায় এই ঘটনা ঘটেছে। কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় সমস্ত রকমভাবেই সহযোগিতা করেছেন।

Advertisement

২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন সিপিএমের বিধায়ক। ২০১১ পর্যন্ত ছিলেন মন্ত্রী। এছাড়াও কলকাতা পুরসভার চারবারের কাউন্সিলর বরো কমিটির চেয়ারম্যানও ছিলেন। ১৯৮৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ছিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ইন কাউন্সিল সদস্য। তারপরও তাঁর নামে শুনানির নোটিস আসায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির উত্তর কুমড়োপাড়ার ঘোলার বাসিন্দা ৮২ বছরের প্রবীণ সিপিএম নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় উঠলেও তাঁকে পাঠানো হয় এসআইআর শুনানির নোটিস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
মথুরাপুর ২ নং ব্লকের উত্তর কুমড়োপাড়ার ২২১ নং বুথের বাসিন্দা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে বিডিও। নিজস্ব ছবি।

তাতে উল্লেখ বলা হয়, তাঁর বা তাঁর আত্মীয় সম্পর্কিত এমন কোনও বিবরণ তিনি প্রদান করেননি, যা তাঁকে বা তাঁর আত্মীয়কে পূর্ববর্তী এসআইআরের সময় প্রস্তুত করা ভোটার তালিকায় একজন নিবন্ধিত ভোটার হিসেবে প্রমাণ করতে পারে। এছাড়া পূর্ববর্তী এসআইআরের সময় প্রস্তুত ভোটার তালিকার সঙ্গে কোনও মিল না থাকা বা সম্ভবত ভুল থাকার পরিপ্রেক্ষিতেই এই নোটিস।

Advertisement

নোটিস হাতে পেয়ে তিনি চূড়ান্ত বিস্মিত হলেও মথুরাপুর ২ নম্বর বিডিও অফিসে শুনানিতে যেতেও রাজি হন। যদিও তাঁর বিস্ময়ের কথা জানিয়ে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি লেখেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। তবে শেষপর্যন্ত বিডিও অফিসে শুনানিতে যেতে হয়নি কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়কে। বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার তাঁর বাড়িতেই শুনানি হয়। রায়দিঘি বিধানসভার মথুরাপুর ২ নং ব্লকের উত্তর কুমড়োপাড়ার ২২১ নং বুথের বিএলও কবিতা দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, ”ম্যাপিং এর সমস্যায় এই ঘটনা ঘটেছে। কান্তি গাঙ্গুলি সমস্তরকমভাবেই সহযোগিতা করেছেন। এই বুথেই ১০৩ জনকে হিয়ারিং এ ডাকা হয়েছিল।” এনিয়ে কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বিডিও অফিসে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাড়িতে লোক এসেছে। তিনি সহযোগিতা করেছেন। এরপর ফাইনাল ভোটার তালিকা নাম না এলে তিনি আইনের দ্বারস্থ হবেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.