Nadia

মৃত মায়ের চক্ষুদান করেও গ্রেপ্তার সমাজকর্মী ছেলে! ‘দান নয়, বিক্রি’, অভিযোগে উত্তাল নদিয়া

রবিবার বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত সেনপুর শ্যামনগর পাড়ার বাসিন্দা রাবেয়া বিবির। মৃত্যুর পরেই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা চিকিৎসক-সহ বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মৃতের কর্নিয়া নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৭:১৫

options
link
মৃত মায়ের চক্ষুদান করেও গ্রেপ্তার সমাজকর্মী ছেলে! ‘দান নয়, বিক্রি’, অভিযোগে উত্তাল নদিয়া
ধৃত আমির চাঁদ। ফাইল ছবি।

মৃত মায়ের চক্ষুদান করা নিয়ে বিতর্ক। কর্নিয়া বিক্রির অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে। আর এই অভিযোগে গ্রেপ্তার পুত্র, কন্যা ও পুত্রবধূ-সহ পরিবারের পাঁচ সদস্য। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য নদিয়ার (Nadia) কোতোয়ালি থানা এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ধৃতের দাবি, মেডিক্যাল কলেজের সমস্ত নথি রয়েছে। এরপরেও আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগে সরব হয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনের কর্মীরাও। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির বদলে পুলিশ একজন সমাজকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুরো ঘটনাটি পুলিশের তরফে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

ধৃত ওই ব্যক্তির নাম আমির চাঁদ। পেশায় শিক্ষক। এমনকী সমাজকর্মী হিসাবেও পরিচিত রয়েছে এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত সেনপুর শ্যামনগর পাড়ার বাসিন্দা রাবেয়া বিবির। মৃত্যুর পরেই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা চিকিৎসক-সহ বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মৃতের কর্নিয়া নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

Advertisement

স্থানীয়দের অভিযোগ, মৃতদেহের কর্নিয়া বিক্রি করা হয়েছে। যদিও পরিবারের দাবি, ওই বৃদ্ধা মৃত্যুর আগেই কর্নিয়া দান করে গিয়েছিলেন। সেই মতো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তা নিয়ে গিয়েছে। যদিও সেই সংক্রান্ত কোনও নথি নাকি ওই পরিবার দেখাতে পারিনি বলে পালটা অভিযোগ। যা নিয়ে স্থানীয় মানুষজন আমির চাঁদ এবং তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। বাড়িতে ঢুকে বিক্ষোভ দেখানো হয় বলে দাবি। 

Advertisement

এমনকী এই বিষয়ে অর্থাৎ ওই পরিবারের বিরুদ্ধে কর্নিয়া চুরির অভিযোগে কোতোয়ালি থানাতেও অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই বৃদ্ধার ছেলে, দুই কন্যা ও এক পুত্রবধূকে গ্রেফতার করে। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ধৃত আমির চাঁদ বলেন, ”চক্ষুদানের সমস্ত নথি রয়েছে। এরপরেও ফাঁসানো হচ্ছে।” এ বিষয়ে সরব হয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনের কর্মীরাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.