চোখের সামনে মেয়েকে নৃশংস অত্যাচার, ঘরজামাইকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে পালাল শ্বশুর!

তমলুক থানার রাধিকাপুর এলাকায় হাড় হিম করা ঘটনা। যা ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য গোটা এলাকায়।

প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
চোখের সামনে মেয়েকে নৃশংস অত্যাচার, ঘরজামাইকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে পালাল শ্বশুর!
তমলুকে ঘরজামাইকে কুপিয়ে পলাতক শ্বশুর।

দিনের পর দিন নেশা করে মেয়ের উপর অত্যাচার। শতবার বারণ করলেও কানে তোলেনি জামাই। অভিযোগ, জোর করে টাকা আদায় করতে শনিবার রাতে স্ত্রীর মুখে বালি চেপে ধরে শ্বাসরোধেরে চেষ্টা করে। প্রতিবাদ করলে শ্বাশুড়িকেও মারধর করা হয়। রবিবার সকালেও ফের মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ। দিনের পর দিন মেয়ের উপর নৃশংস অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে, কাটারি দিয়ে জামাইকে কোপাল শ্বশুর। তমলুক থানার রাধিকাপুর এলাকায় হাড় হিম করা ঘটনা। যা ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য গোটা এলাকায়।

Advertisement

খবর দেওয়া হয় তমলুক থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, গলায় কোপ দিয়ে খুন করা হয়েছে জামাই শেখ মতিবুলকে। যদিও ঘটনার পর থেকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন শ্বশুর শেখ জুলফিকার। শাশুড়ির অভিযোগ, ‘ জামাই কোনও কাজ করত না। আমাদের দিন-আনা দিন খাওয়া সংসারে পেট চালাতে কালঘাম ছুটে যেত। মেয়ে কাজ করতে যেত। কিন্তু জামাই ঘরে থাকত। রোজ সকাল হলেই নেশা করবে বলে জুলুমবাজি করে মেয়ের কাছ থেকে টাকা আদায় করত। এমনকী আমাদের সব টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে মেয়ের কাছ থেকে। টাকা দিতে না পারলেই মারধর করত। প্রতিদিন রাতে নেশা করে ফিরে অত্যাচার করত। অশান্তির ভয়ে দিনের পর দিন খাওয়া হত না। বাচ্চা দুটোর পড়াশোনার কথাও ভাবত না। কাজ করার কথা বললেই মেয়েকে-আমাকে ধরে মারত।’

Advertisement

শনিবার রাতের অত্যাচারের সীমা পেরোতেই চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন শ্বশুর। উঠোন থেকে কাটারি কুড়িয়ে নিয়ে গিয়ে জামাইয়ের গলায় কোপ বসিয়ে দেন তিনি। খবর পেয়ে তমলুক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুক গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.