Metro

আসানসোল-দুর্গাপুর মেট্রোর আরও একধাপ! শেষের পথে ‘রাইটসে’র সমীক্ষার কাজ

মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, "আসানসোল ও দুর্গাপুরকে 'স্মার্ট সিটি' হিসেবে গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদে এদের 'মেগা সিটি'তে রূপান্তর করার যে প্রচেষ্টা আমাদের চলছে, এই উদ্যোগ তারই অংশ।"

শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১০:৪৯

options
link
আসানসোল-দুর্গাপুর মেট্রোর আরও একধাপ! শেষের পথে ‘রাইটসে’র সমীক্ষার কাজ
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

বাজেটে আসানসোল-দুর্গাপুর ‘এরিয়াল মেট্রো’র ঘোষণার পর এবার সেই প্রকল্পকে বাস্তব রূপ দিতে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে কাজ। মেট্রো ও নতুন ব্রিজের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি জোরকদম প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই মেগা প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, “আসানসোল ও দুর্গাপুরকে ‘স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদে এদের ‘মেগা সিটি’তে রূপান্তর করার যে প্রচেষ্টা আমাদের চলছে, এই উদ্যোগ তারই অংশ।”

Advertisement

অন্যদিকে, এই পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই পুরো অঞ্চলের শিল্প সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বড় উদ্যোগ নিচ্ছে আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আড্ডা)।

দুটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প শহরের মধ্যে দূরত্ব ও যাতায়াতের সময় কমাতে এই ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকরী হতে চলেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে দুটি শহরের মধ্যে ট্রেনযোগে যেতে সময় লাগে প্রায় ৩০ মিনিট এবং সড়কপথে ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট। তাই এই অঞ্চলে একটি আধুনিক ‘মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম’ গড়ে তুলতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।” প্রকল্পের কৌশলগত দিক ব্যাখ্যা করে জানা গিয়েছে, প্রথাগত ভূগর্ভস্থ ব্যবস্থার তুলনায় এই ‘এরিয়াল মেট্রো’ অনেক বেশি হালকা এবং সাশ্রয়ী। তাই কারিগরি ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার (টেকনো-ইকোনমিক ফিজিবিলিটি স্টাডি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশেষজ্ঞ সংস্থা ‘রাইটস’কে। শুধু মেট্রোই নয়, বার্নপুরের সঙ্গে বাঁকুড়াকে যুক্ত করতে দামোদর নদের ওপর একটি নতুন সেতুর সমীক্ষাও প্রায় শেষ করে এনেছে সংস্থাটি, যার পরেই শুরু হবে ডিপিআর তৈরির কাজ।

Advertisement

অন্যদিকে, এই পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই পুরো অঞ্চলের শিল্প সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বড় উদ্যোগ নিচ্ছে আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আড্ডা)। আগামী দিনের বড় বড় বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়িত করতে এবং আধুনিক শিল্পপার্ক গড়ে তুলতে কালিপাহাড়ির গাড়ই নদী সংলগ্ন এলাকা এবং মঙ্গলপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে নতুন জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি, অন্ডালের কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরকে এই অঞ্চলের মূল যোগাযোগ কেন্দ্রে পরিণত করতে বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা বিএপিএলকে নতুন রুট চালুর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই বিমানবন্দর থেকে যাত্রী পরিষেবার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন (কার্গো) চালুর ওপরও বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। বর্ষা পেরোলেই পশ্চিম বর্ধমানের জীর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো মেরামতের কাজও হাতে নেবে আড্ডা, যা সার্বিকভাবে শিল্পাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.