TMCP

বিবেকানন্দের পোস্টার ছেঁড়া, এভিবিপির পতাকা পায়ে মাড়ানো! গ্রেপ্তার টিএমসিপির ২ সদস্য

স্বামী বিবেকানন্দের পোস্টার ছেঁড়া এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এভিবিপি) পতাকা ছিঁড়ে পায়ে মাড়ানোর অভিযোগ উঠল। ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের সামসি কলেজে। ঘটনায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ২০:৪৯

options
link
বিবেকানন্দের পোস্টার ছেঁড়া, এভিবিপির পতাকা পায়ে মাড়ানো! গ্রেপ্তার টিএমসিপির ২ সদস্য
গ্রেপ্তার টিএমসিপির ২ সদস্য। ছবি-এআই

স্বামী বিবেকানন্দের পোস্টার ছেঁড়া এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) পতাকা ছিঁড়ে পায়ে মাড়ানোর অভিযোগ উঠল। ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের সামসি কলেজে। ঘটনায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্বামী বিবেকানন্দের পোস্টার ছেঁড়া ও এভিবিপির পতাকা ছেঁড়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

Advertisement

ঘটনা জানাজানি হতেই মালদহের মালদহের সামসি কলেজে উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার রাতে দুই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, ধৃতদের নাম দেবজিৎ সাহা এবং অরিজিৎ রবিদাস। আজ, মঙ্গলবার ধৃতদের চাঁচল মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই ঘটনার মূল অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

এবিভিপির অভিযোগ, ২২ অগাস্ট সামসি কলেজ চত্বরে ওই ঘটনা ঘটে। ২৩ অগাস্ট পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সংগঠনের দাবি, স্বামী বিবেকানন্দের পোস্টার ছেঁড়া এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পতাকা ছিঁড়ে পায়ে মাড়ানোর ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা হয় তারিক আনোয়ার নামের এক যুবকের প্রোফাইল থেকে। ভিডিওটি ভাইরাল হতে উত্তর মালদহের বিভিন্ন থানায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এভিবিপির অভিযোগ, এর আগে চাঁচল কলেজে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ানোর ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার সামসি কলেজে স্বামী বিবেকানন্দের পোস্টার ছেড়ার ঘটনায় ফের ক্ষুব্ধ ছাত্রসমাজ।

Advertisement

অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে এভিবিপি নেতৃত্ব। ঘটনার মূল অভিযুক্ত তারিক আনোয়ার পলাতক। যদিও সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সামসি কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন ইউনিট সভাপতি মিসবাহুল আলম জেমস জানান, ধৃত দুই যুবক সংগঠন করলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.