Durgapur

ইন্টারনেট বিভ্রাটে ‘ভরসা’র টেলিমেডিসিন পরিষেবা লাটে! সমস্যায় দুর্গাপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের রোগীরা

প্রত্যন্ত এলাকার কোনও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী এলে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোগীর শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৮:১৩

options
link
ইন্টারনেট বিভ্রাটে ‘ভরসা’র টেলিমেডিসিন পরিষেবা লাটে! সমস্যায় দুর্গাপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের রোগীরা
ছবি: সনাতন গরাই।

প্রত্যন্ত এলাকার কেউ অসুস্থ হলে ভরসা টেলি মেডিসিন। কিন্তু সেই টেলি মেডিসিন পরিষেবাই যদি ইন্টারনেট বিভ্রাটের জেরে থমকে যায়, তাহলে সমস্যায় পড়তে হয় রোগী থেকে চিকিৎসক দু’পক্ষকেই। এমনই ছবি কাঁকসার বিদবিহারের শিবপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কয়েক সপ্তাহ ধরে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে সরকারি হাসপাতালের টেলি মেডিসিন পরিষেবা। ফলে প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের জরুরি চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকের।

Advertisement

কাঁকসার শিবপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ইনচার্জ চিকিৎসক ডাঃ অমিত লাহা জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জিও এবং বিএসএনএল দুই নেটওয়ার্কেরই পরিষেবা কার্যত অচল। আর তার জেরেই ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একাধিক অনলাইন পরিষেবা। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে টেলি মেডিসিন পরিষেবা দিতে গিয়ে। বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও পুরুলিয়া এই চারটি স্বাস্থ্য জেলার বিভিন্ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র টেলি মেডিসিন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। প্রত্যন্ত এলাকার কোনও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী এলে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোগীর শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়। এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন শিবপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ডাঃ অমিত লাহাও।

Advertisement

কিন্তু ইন্টারনেট পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ায় বর্তমানে সেই অ্যাপের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শুধু টেলি মেডিসিন নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আরও একাধিক অনলাইন নির্ভর কাজও ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি চিকিৎসকের। ফলে একদিকে যেমন প্রত্যন্ত এলাকার রোগীরা দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজেও তৈরি হচ্ছে সমস্যা। শিবপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ইনচার্জ ডাঃ অমিত লাহা বলেন, “বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে জিও এবং বিএসএনএল নেটওয়ার্ক একেবারেই কাজ করছে না। সেই কারণে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। আমরা টেলি মেডিসিন পরিষেবা দিতে পারছি না। এছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে আরও একাধিক কাজ হয়ে থাকে, সেই কাজও করতে পারছি না। স্বাস্থ্য দপ্তরে ইতিমধ্যে বিষয়টি জানিয়েছি। ওই টাওয়ার সংস্থাগুলি যাতে দ্রুত পরিষেবা উন্নত করে, সেই আবেদন রাখছি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.