বাংলায় জইশ জাল
Terrorist Arrest in Bardhaman

কলকাতার বুকে জইশের ‘স্লিপার সেল’! সেই খাগড়াগড়ের কাছেই ধৃত হামিমের শিকড় ছড়িয়ে কোথায়?

বাংলায় ঠিক কীভাবে জাল বিস্তার করেছিল হামিম, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ২১:০২

options
link
কলকাতার বুকে জইশের ‘স্লিপার সেল’! সেই খাগড়াগড়ের কাছেই ধৃত হামিমের শিকড় ছড়িয়ে কোথায়?
জঙ্গি হামিমের জাল বিস্তৃত কতদূর?

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর। বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে খাগড়াগড়। জামাত জঙ্গিদের কারসাজি প্রকাশ্যে আসে। তার ঠিক ১২ বছর পর সেই খাগড়াগড় থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে ফের ঘাঁটি গেড়েছিল জঙ্গি। এবার বর্ধমানের অভিজাত আবাসন থেকে পাকড়াও হামিম মণ্ডল (Terrorist Arrest in Bardhaman)। কাশ্মীরের ‘সাজ্জাদ ভাট’ গোষ্ঠীর সদস্য় ছিল সে। তার নিশানা ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলায় ঠিক কীভাবে জাল বিস্তার করেছিল হামিম, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নেমপ্লেট অনুযায়ী, ওই ফ্ল্যাটটি একতা মেহেরার। ওই ফ্ল্যাটেরই বাসিন্দা শাশ্বতী গঙ্গোপাধ্যায় জানান, দেখতে একেবারে সাদামাটা। তিনটি সন্তান, স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকত হামিম। প্রতিবেশীদের হামিম জানায় তার ব্যবসা রয়েছে।

কে এই হামিম? জানা গিয়েছে, হাওড়ার পিলখানার বাসিন্দা হামিম মণ্ডল। সেখানে গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করত সে। তার বাবাও একই কারখানায় কাজ করতেন। সম্প্রতি নিউটাউনে ভাড়াবাড়িতে গিয়ে ওঠে হামিম। ওই ভাড়াবাড়ির খুব কাছেই থাকেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, যে পথ দিয়ে যাতায়াত করতেন মুখ্যমন্ত্রী, সে পথেও নাকি রেকি করে হামিম। ভোটের ফলপ্রকাশের পর হামিদ বর্ধমানের অভিজাত আবাসনে ভাড়া থাকতে শুরু করে।

Advertisement

নেমপ্লেট অনুযায়ী, ওই ফ্ল্যাটটি একতা মেহেরার। ওই ফ্ল্যাটেরই বাসিন্দা শাশ্বতী গঙ্গোপাধ্যায় জানান, দেখতে একেবারে সাদামাটা। তিনটি সন্তান, স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকত হামিম। প্রতিবেশীদের হামিম জানায় তার ব্যবসা রয়েছে। হাওড়ার বাসিন্দা। কেন বর্ধমানে ভাড়াবাড়িতে থাকতে শুরু করল হামিম, সে বিষয়ে অবশ্য কোনওদিন প্রতিবেশীদের কাছে কিছু খোলসা করেনি সে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার হামিমকে গ্রেপ্তার করে বেঙ্গল এসটিএফ। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, হামিম সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সদস্য ছিল। পূর্ব ভারতে মগজধোলাই করার দায়িত্ব ছিল তার। সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিরিয়ানি ব্যবসায়ী, সবজি বিক্রেতাদের টার্গেট করত এই গ্যাং। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থানে ছড়িয়ে রয়েছে এই গ্যাং। হামিমের শিকড়ও ঠিক কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.