Bagnan

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর

আজ থেকে ৭৯ বছর আগে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট কানাইপুরের রাস্তার তেমাথার মোড়ে ডাঃ সত্যচরণ চট্টোপাধ্যায়, বীরেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, গোষ্ঠবিহারী বেরা, বিভূতি বন্দ্যোপাধ্যায়, অম্বিকা রায়ের মতো কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখতে গাছগুলির চারা লাগিয়েছিলেন।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৬, ১২:১৭

options
link
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর
এই সেই বট, অশ্বত্থ ও নিমগাছ। নিজস্ব ছবি।

৮০তম স্বাধীনতা দিবসের পুণ্যলগ্নে গোটা দেশ যখন আনন্দ, উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা, ঠিক সেই সময় নীরবে, নিভৃতে ৭৯ বছর ধরে স্বাধীনতা দিবসের স্মৃতির সাক্ষ্য বহন করে চলেছে বাগনানের কানাইপুরের ত্রয়ী বট, অশ্বথ ও নিম গাছ।

Advertisement

আজ থেকে ৭৯ বছর আগে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট কানাইপুরের রাস্তার তেমাথার মোড়ে ডাঃ সত্যচরণ চট্টোপাধ্যায়, বীরেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, গোষ্ঠবিহারী বেরা, বিভূতি বন্দ্যোপাধ্যায়, অম্বিকা রায়ের মতো কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখতে গাছগুলির চারা লাগিয়েছিলেন। আজ সেগুলি মহীরুহ। তবে, ইতিহাসের জীবন্ত দলিল হয়ে রইলেও এই তিন বৃক্ষ আজ তীব্রভাবে অবহেলিত। চারপাশে বাঁধানো এবং ঘেরা বেদি থাকলেও তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নয়। নিয়মিত স্মৃতি তর্পণও হয় না। সামনের রাস্তাটিও ভাঙাচোরা। ওই গাছ ত্রয়ীর স্মৃতিকথন এলাকার খুব কম মানুষেরই মনে রয়েছে। স্থানীয় কিছু প্রবীণ সজ্জন ব্যক্তির দাবি, স্বাধীনতা দিবসের সাক্ষী বৃক্ষ ত্রয়ীর স্মৃতি যথাযথভাবে রক্ষার চেষ্টা করা হোক। সুন্দরভাবে বাঁধানো হোক গাছটির বেদি। করা হোক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।

Advertisement

স্থানীয় সমাজসেবী মোহনলাল কাপড়ি বলেন, “আমরা ছোট থেকেই এই গাছ দেখে আসছি। বড়দের মুখেই শোনা ওই গাছ ত্রয়ী স্বাধীনতা দিবসের স্মারক। গাছগুলিকে আরও ভালো করে সংরক্ষণ করা দরকার।” স্থানীয় সাহিত্যিক শুভেন্দু দত্ত বলেন, “এগুলো আমাদের এলাকার গর্ব। আমাদের দেশের সেই সময়কার স্বাধীনতা দিবসের স্মৃতি বহন করে চলেছে এই গাছ ত্রয়ী। মহীরুহ ত্রয়ীর সম্মানার্থে এমনভাবে জায়গাটাকে গড়ে তোলা দরকার যাতে এটা একটা আইডেন্টিটি হয়ে দাঁড়ায়।” এবিষয়ে হাওড়া বিভাগীয় বনদপ্তরের কর্তা সুজিত দাস বলেন, “প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলছি যাতে ১২৫ দিনের কাজ প্রকল্পে ওই গাছ সংরক্ষণ করা যায়। যাঁরা এই গাছগুলি লাগিয়েছিলেন তাঁদের নামের ফলকও তৈরি করা হবে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.