Smart Classroom

সরকারি সাহায্য ছাড়াই স্মার্ট হল পাণ্ডুয়ার এই স্কুল! খুশি অভিভাবক থেকে পড়ুয়া সবাই

স্কুলে সোলার প্যানেল বসানো থেকে শুরু করে একাধিক উদ্যোগ নেওয়ার ভাবনা স্কুলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৫, ১০:১২

options
link
সরকারি সাহায্য ছাড়াই স্মার্ট হল পাণ্ডুয়ার এই স্কুল! খুশি অভিভাবক থেকে পড়ুয়া সবাই

সুমন করাতি, হুগলি: সরকারি স্কুল ছেড়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে নিজেদের চেষ্টায় ক্লাস রুমকে স্মার্ট বানিয়ে ফেলল এই স্কুল। তাও আবার কিনা কোনও সরকারি সাহায্য ছাড়াই। পাণ্ডুয়ার পাঁচপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এহেন উদ্যোগে খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবক সবাই। হুগলি জেলার পাণ্ডুয়া ব্লকের ইটাচুনা চক্রের স্কুল পরিদর্শক (এসআই) সন্তু ফৌজদার বুধবার নয়া স্মার্ট ক্লাস রুমের উদ্বোধন করেন। সময়ের সঙ্গে পড়াশোনার মানও বদলাচ্ছে, পুঁথিগত পড়াশোনার বদলে ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করছে অনেক বেসরকারি স্কুল। এবার সে পথে হাঁটছে জেলার বহু সরকারি স্কুলও। হুগলি জেলায় আগেও একটি স্কুলে এমন স্মার্ট ক্লাসরুম তৈরি করা হয়েছে। পাঁচ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয়, যেখানেও স্মার্ট পড়াশোনার সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা।

Advertisement

কিন্তু কোনও রকম সরকারি সাহায্য ছাড়াই কীভাবে অসম্ভব সম্ভব হল? বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত গুপ্ত জানান, ”রাজস্থানের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। এর ফলে পড়ুয়ারা যেমন প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ পাবে, তেমনি স্বাস্থ্যকর পরিবেশও নিশ্চিত হবে।” প্রধান শিক্ষকের কথায়, ”আগামী প্রজন্মকে ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পড়াশোনা শেখাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে সাহায্য নিয়ে এই কাজ করা হচ্ছে।” তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না! পান্ডুয়ার পাঁচ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল বসানো থেকে শুরু করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিতে চান বলেও জানিয়েছেন জয়ন্ত গুপ্ত।

Advertisement

স্কুল  কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্কুল পরিদর্শক (এসআই) সন্তু ফৌজদারও। তিনি বলেন,”বর্তমানে স্মার্টক্লাসের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার ক্ষেত্রে বড় স্ক্রিনের প্রয়োজন হয়ে থাকে।” ফলে স্কুলের এই উদোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এসআই। অন্যদিকে স্মার্টক্লাস পেয়ে খুশি পড়ুয়ারা। কালো বোর্ড, চক-ডাস্টার নয়, চোখের সামনে চলছে আস্ত একটা ছবি! যা দেখে কিছুটা অবাক ছাত্র-ছাত্রীরা। অভিভাবকরা বলছেন,’শিক্ষার জগতে এগুলির প্রয়োজন আছে, স্কুল এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.