সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে শিক্ষক দিবস নিয়ে মাতামাতির মধ্যেই সকলের চোখের আড়ালে এ রাজ্যেরই এক শিক্ষক দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিনা বেতনে পাঠদান করে চলেছেন তাঁর ছাত্রদের৷ শরীর তাঁকে সঙ্গ দেয়নি, প্রতিবন্ধকতা তাঁর নিত্যসঙ্গী৷ ইনি গোঘাটের মির্গা গ্রামের প্রবীর পাল৷ শারীরিক সমস্যার জন্য যাঁকে চলতে হয় প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে৷ কিন্তু মনের জোরে ভর করে প্রায় ২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে প্রতিদিন পড়াতে যান পাশের গ্রামের চাতরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে৷ তার জন্য পান না ন্যূনতম বেতন বা ভাতা৷ আয় বলতে স্কুলে পড়ানোর পাশাপাশি সামান্য কয়েকটা টিউশনের টাকা৷
বাড়িতে থাকার বলতে শুধু মা৷ মা হীরা রানি বাড়িতে বসে ঠোঙা তৈরি করেন৷ এই উপার্জন থেকেই মা ও ছেলের ভাত জোটে৷ তবে পড়ুয়াদের শুধু বইয়ের পাঠ দেন না প্রবীরবাবু৷ পড়ুয়াদের শেখান প্রকৃতিকে ভালবাসতে৷ তাদের নিয়ে জৈব সার প্রয়োগ করে গড়েছেন বাগান৷ সেখানে লাউ, কুমড়ো, শাক, লঙ্কা-র চাষ হয়৷ চাতরা প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া একফালি জমিকে উর্বর করে তুলেছেন প্রায় একা হাতে৷ দিনভর কাটে এভাবেই৷ সকালে পড়ানো, দুপুরে চাষ আর বিকেলে বিদ্যালয়কে সাফ করতে নিজের হাতে তুলে নেন ঝাঁটা-ফিনাইল৷ প্রতিদিন স্কুলের শৌচাগার সাফ করেন ওই হামাগুড়ি দিয়েই৷ বলছেন, “ছাত্ররা, শিশুরাই আমার প্রাণ৷ তাদের সঙ্গে গোটা জীবনটা কাটাতে চাই৷”
সর্বশেষ খবর
-
৩ বছরের শিশুর শ্বাসনালীতে আলপিন! জটিল অস্ত্রোপচারে প্রাণ ফেরাল বর্ধমান মেডিক্যাল
-
১৬ বছর ধরে সবই অন্ধকার, অসাধ্যসাধন বর্ধমান মেডিক্যালের! ডান চোখের দৃষ্টি ফিরে পেলেন বৃদ্ধা
-
নামেই ‘বন্ধু’, পাকিস্তানের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম পেল না বাংলাদেশ, মুখোশ খুলল ইসলামাবাদের!
-
৭৭ দিন পর জেল থেকে ফিরেই হামলার মুখে তৃণমূল কাউন্সিলর! চাঞ্চল্য বারাসতে
-
পাক বর্বরতায় রক্তাক্ত বালোচিস্তান! ‘হিন্দুস্তান, আমাদের বাঁচান’, বুক ফাটা আর্তনাদ বালোচ কিশোরীর