Light

ঘুচল আঁধার, ৪০ বছর পর আলোর মুখ দেখল হুগলির এই গ্রাম

আলোয় ফেরা গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, পরবর্তী লক্ষ্য রাস্তা মেরামত করা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৩, ১৭:১৮

options
link
ঘুচল আঁধার, ৪০ বছর পর আলোর মুখ দেখল হুগলির এই গ্রাম

সুমন করাতি, হুগলি: অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ৪০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। আলো এল হুগলির (Hooghly) তারকেশ্বরের নস্করপাড়া দক্ষিণ গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গ্রাম জুড়ে বসল আলো। ইলেকট্রিক পোস্ট বসানো হয়েছে। লাগানো হয়েছে কয়েকটি এলইডি (LED) লাইট। বাকি পোস্টে কয়েকদিনের মধ্যে আলো লাগানো হবে বলে আশ্বাস মিলেছে। গ্রামবাসীরা স্বভাবতই অত্যন্ত খুশি। তাঁদের কথায়, আলোর সমস্যা মিটল। এবার লক্ষ্য রাস্তা মেরামত।

Advertisement

বামফ্রন্টের এত বছরের শাসনকালে হয়নি। তৃণমূল (TMC) জমানায় সেই আক্ষেপ মিটল তারকেশ্বরের গৌরীবাটি নস্করপাড়া দক্ষিণ গ্রামে। সন্তোষপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গৌরীবাটি নস্করপাড়ার দক্ষিণ দিকের অংশের নাগরিকরা দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তা এবং আলোর সমস্যায় ভুগছিলেন। কারণ, নস্করপাড়ার এই অংশে রাস্তা একেবারে জরাজীর্ণ, নেই পর্যাপ্ত আলো। ফলে যাতায়াতে বিভিন্ন সময় সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে অসুস্থ মানুষকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা আরও গুরুতর। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরেই এভাবে কষ্টের মধ্যে কেটেছে দিন। এবার সেই কষ্টে ইতি। আলো পেলেন নস্করপাড়া দক্ষিণ গ্রামের বাসিন্দারা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফাঁসি রদ কাতারে বন্দি ৮ ভারতীয় প্রাক্তন নৌসেনা কর্মীর!]

বৃহস্পতিবার নস্করপাড়ার এই অংশের ইলেকট্রিক পোস্টে বসানো হল বেশ কিছু এলইডি লাইট। এলাকার সদস্য বিশ্বজিৎ দাস নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এই আলো লাগানোর ব্যবস্থা করলেন। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘ ৪০ বছর পর গ্রামবাসীরা আলো পেয়ে খুব খুশি। বিশ্বজিৎবাবুর ভূমিকার প্রশংসা করেন তাঁরা। আগামী কয়েকমাসের মধ্যে বাকি ইলেকট্রিক পোস্টেও আলো বসবে বলে জানান বিশ্বজিৎ দাস। তিনি আরও বলেন, ”রাস্তা নিয়েও আমারা উপর নেতৃত্বকে জানিয়েছি। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।”

Advertisement

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদকে হেফাজতে চেয়ে পাকিস্তানকে চিঠি ভারতের!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.