নন্দন দত্ত, বীরভূম: পুকুরে মরা মাছ ভেসে উঠেছিল। সেই মাছ জল থেকে তুলতে যাওয়াই হল কাল। পুকুরের জলে ডুবে মারা গেল তিন শিশু। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে আজ সোমবার বীরভূমের নলহাটি থানার বারা গ্রামে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গ্রামে গিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। তিন শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
জানা গিয়েছে, ওই গ্রামের উওর টারহাট পাড়ার দিঘির পাশে থাকা বুঢাতলা পুকুরে জলে এদিন সকালে মরা মাছ ভাসতে দেখা গিয়েছিল। এদিন বেলা ১২ নাগাদ ওই পুকুরের ধারে গিয়েছিল চার শিশু। মরা মাছ দেখে সেগুলি ধরার জন্য তিন শিশু পুকুরের কাছে যায়। তিনজনেই পা পিছলে পুকুরে পড়ে যায়। কিন্তু তারা কেউ সাঁতার জানত না। ফলে জলে তারা ডুবে যায়। পাড়ে দাঁড়ানো অন্য শিশু ঘটনাটি দেখেই দ্রুত গ্রামের বড়দের খবর দিতে ছুটে যায়। তার কথায় গ্রামের লোকজন পুকুরের ধারে ছুটে আসে। কিন্তু শিশুদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
তিন শিশুকেই জলের মধ্যে ভাসতে দেখা যায়। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে লোহাপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম নাসরিন খাতুন(৪), নুরানী খাতুন(৫) ও তামিম সেখ(৮)। তামিম মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার বোখরা গ্রামের বাসিন্দা। দিন কয়েক আগে ওই গ্রামে দিদার বাড়িতে সে পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে এসেছিল। এদিনের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে গোটা এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছান নলহাটি ২ ব্লকের বিডিও রজতরঞ্জন দাস-সহ প্রশাসনের কর্তারা। নলহাটি থানার লোহাপুর ফাঁড়ির পুলিশও গ্রামে যায় তদন্তের জন্য। মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
মার্কিন আদালতে খারিজ জালিয়াতি-ঘুষের মামলা, ‘আস্থা হারাইনি’, স্বস্তি পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আদানির
-
‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের
-
পুলিশি সুরক্ষাতেও রক্ষা নেই! রাতে জনতার ‘তাড়া’ খেয়ে সিতাই ছাড়লেন সস্ত্রীক জগদীশ বসুনিয়া
-
‘পড়ুয়ারা আমাদের সন্তান’, ঝাড়খণ্ডে পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক বিজেপির
-
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ-টিয়ার গ্যাস! ঝাড়খণ্ডে পুলিশের ‘বর্বরতা’য় ফুঁসছেন প্রকাশ