TMC

আবাসের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ! তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘গোপন’ ভিডিও ফাঁস

এদিকে এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে কৌশিক দত্তের আরেক সাগরেদ গৌতম চৌধুরী ওরফে কালুর।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ২০:১৮

options
link
আবাসের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ! তৃণমূল কাউন্সিলরের ‘গোপন’ ভিডিও ফাঁস
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা।

আবাস যোজনার দুর্নীতির মামলা ঝুলে তাঁর উপর! এমনকী বসিরহাট থানা এফআইআর দায়ের করে তদন্তও শুরু করেছে। তদন্তের মধ্যেই প্রকাশ্যে এল অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councillor) কৌশিক দত্তের টাকা নেওয়ার ভিডিও! বসিরহাট পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। সম্প্রতি তাঁর একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে টাকা নিতে দেখা যাচ্ছে। তবে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। তা সামনে আসতেই রাজনৈতিকমহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

Advertisement

এর আগে কাউন্সিলর কৌশিক দত্তর নামে নিখোঁজ পোস্টারও পড়েছিল। তারপর থেকে বেপাত্তা তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বসিরহাট পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সির বাগান, মাঠ পাড়া, কোয়াটার পাড়া, বর্মা কলোনি-সহ একাধিক এলাকায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ও বাংলার বাড়ি আবাস যোজনা প্রকল্পের নামে একাধিক উপভোক্তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন কৌশিক দত্ত। ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কারও কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা আবার কারও কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা নিয়েছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি বুঝে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত উপভোক্তাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। 

Advertisement

এখানেই শেষ নয়, আবাস যোজনার টাকা ব্যাংকে ঢুকলে তা ভয় দেখিয়ে কৌশিক দত্ত তুলে নিতেন বলেও অভিযোগ। একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। এফআইআরের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। এরমধ্যেই তৃণমূল নেতার টাকা নেওয়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, মায়ের সোনার কানের দুল বন্দক দিয়ে মোটা টাকা কৌশিক দত্তের হাতে তুলে দিয়েছেন। এদিকে এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে কৌশিক দত্তের আরেক সাগরেদ গৌতম চৌধুরী ওরফে কালুর। অভিযোগ, গোটা ৭ নং ওয়ার্ডের নিয়ন্ত্রণ ছিল এই কালুর হাতেই। এমনকী আবাস যোজনা প্রকল্পের টাকা তাঁর হাত ধরেই কৌশিক দত্তের কাছে পৌঁছে যেত বলেও দাবি। তারই মধ্যে ভাইরাল ভিডিও কে ঘিরে চাঞ্চল্য।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে কাউন্সিলর কৌশিক দত্তর নামে নিখোঁজ পোস্টারও পড়েছিল। তারপর থেকে বেপাত্তা তিনি। বসিরহাট দক্ষিণের বিজেপি নেতা তথা চিকিৎসক শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এ আর নতুন কি, আগেই পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ বসিরহাট পুর বোর্ড ভেঙে গিয়েছে। এখন মহকুমা শাসকের নিয়ন্ত্রণে। মানুষ দেখুক ১৫ বছর কাদের প্রশ্রয় দিয়েছেন। শুধু বসিরহাট নয়, টাকি ও বাদুরিয়া পুরসভায় একই অবস্থা। অবিলম্বে এই সমস্ত দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.