দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন লুঙ্গি পরে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী বথে ঢুকতে দেয়নি। পরে নাতির প্যান্ট পরে ভোট দেন। গাইঘাটা বিধানসভার সেই ভোটার বৃদ্ধ গণেশ মজুমদারের বাড়িতে নতুন লুঙ্গি ও মিষ্টি নিয়ে হাজির তৃণমূলকর্মীরা।
আরও পড়ুন:
গাইঘাটা বিধানসভার বেড়গুম ১ পঞ্চায়েতের কুঁচলিয়া এলাকার ১৮৯ নম্বর বুথের বাসিন্দা গণেশ মজুমদার। ভোটের দিন লুঙ্গি পরে বুথে যান তিনি। কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। গণেশবাবুর দাবি বুথে ঢুকতে বাধা দিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী বলে ‘লুঙ্গি নেহি চলেগা।’ বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরে পাজামা পরে আবার ভোটের লাইনে দাঁড়ান তিনি।
এই ঘটনার গণেশবাবু বলেন, “গ্রামে থাকি। লুঙ্গি পরতেই অভ্যস্ত। কংগ্রেস, সিপিএম থেকে তৃণমূল সব আমলেই লুঙ্গি পরে ভোট দিয়েছি। এই রকম কোনও বার হয়নি।” ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিবারের সদস্য বলেন, “বাবা বাড়ি ফিরে বলেন লুঙ্গি পরে ভোট দেওয়া যাবে না। নিয়ম থাকলে তা মানতে হবে বলে পাজামা পরে ভোট দেন। কিন্তু এই নিয়ম কোনও বারই শুনিনি।” ওই ঘটনার পর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ তুলে বলা হয়, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির হয়ে কাজ করছে। এই ঘটনায় তা স্পষ্ট।”
এবার ভোট মিটতেই গণেশবাবুর বাড়ি গিয়ে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মিষ্টি ও লুঙ্গি তুলে দিল স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী প্রসেনজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ কয়েকজন গণেশবাবুর বাড়িতে এই উপহার পৌঁছে দেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কেতন হত্যাকাণ্ডে মা-বাবাকে দোষারোপ! পুণের হাড়হিম কাণ্ডে সমাজের সম্মুখে আয়না ধরলেন কঙ্গনা
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস
-
জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর, কেন হয়েছিল জনশূন্য? হতবাক গবেষকরা
-
পার্টনারের সঙ্গে কখনওই ঝগড়া হয় না বলে গর্ব করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে ৪ জটিল মনস্তত্ব
-
চিরকালের জন্য বাকিংহাম প্যালেস ছাড়লেন রাজা চার্লস! হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?