অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: দিলীপ ঘোষের বাড়ি থেকে বের করে মারার পালটা তৃণমূলের। এবার প্রাক্তন সাংসদের খড়গপুরের বাড়ির সামনে বিক্ষোভে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। সুর চড়িয়ে বললেন, “বাড়ি থেকে বের করতে হবে না। আমরাই এসেছি, মারুন।” উঠল জয় বাংলা স্লোগান। ওঠে দিলীপ ঘোষকে গ্রেপ্তারির দাবি। পালটা বিক্ষোভে বিজেপি। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি।
রাস্তা উদ্বোধনে গিয়ে মহিলার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর ‘বাপ, চোদ্দো পুরুষ’টেনে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। তবে তাতেও নিজের অবস্থানে অনড় বিজেপি নেতা। বাড়ি থেকে টেনে বের করে মারধর করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে খড়গপুরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “মেজাজ হারাইনি। মেজাজ ঠিক রেখেই বলছি। যা বলেছি, ঠিক বলেছি। কোনটা কুকথা, কোনটা সুকথা সেটা তৃণমূলকে বুঝিয়ে দেব। হেডলাইন করুন, এরপর ওরা বাড়াবাড়ি করলে হয় বাড়ি থেকে বের করে মারব নাহলে চৌরাস্তায় দাঁড় করিয়ে মারব।” খড়গপুরের প্রাক্তন সাংসদের হুঙ্কার, “যারা ল্যাজ গুটিয়ে ঘরে বসে থাকে, চমকে দিলে প্রস্রাব করে ফেলবে, তাদের কাছ থেকে আমাকে সার্টিফিকেট নিতে হবে? আমাকে বেশি ভদ্রলোকি দেখাতে আসবেন না!”
এরপরই খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের বাংলোর সামনে জড়ো হন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। ছিলেন তৃণমূলের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার-সহ সভাপতি দেবাশিস চৌধুরী। ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রোহন দাস, ১০ নম্বরের কাউন্সিলর বি হরিশ-সহ অন্য়ান্যরা। ওঠে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বলেন, “বাড়ি থেকে বের করতে হবে না। আমরাই এসেছি, মারুন।” খবর পেয়েই বিজেপির কর্মীরা সেখানে জড়ো হন। পালটা স্লোগান তোলেন তাঁরা। স্লোগান, পালটা স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
সর্বশেষ খবর
-
ব্যাঙ্কের বাইরে এবার নিয়মিত টহল দেবে পুলিশ! নয়া নির্দেশিকা জারি লালবাজারের
-
যাত্রী সেজে গাড়িতে, ক্যাব চালকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি খাস কলকাতায়!
-
ইকবালের মতোই জলে ডুবে থাকে তার দিদি-বোনেরাও! ‘বাপমরা মেয়েগুলো’র চিন্তায় চোখে জল মায়ের
-
একজনের নামে ক’টা সিম কার্ড? আগস্টেই চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম
-
রাতবিরেতে আচমকা পূর্ব বর্ধমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর! ঘেঁটে দেখলেন ওষুধের স্টক