TMC

ক্যানিংয়ে ‘গণপিটুনি’তে মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য TMC বিধায়কের, পাশে থাকার আশ্বাস নওশাদেরও

এদিনই ঘুটিয়ারি শরিফে নিহতের বাড়িতে যান নওশাদ সিদ্দিকি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৫, ১৮:৪৭

options
link
ক্যানিংয়ে ‘গণপিটুনি’তে মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য TMC বিধায়কের, পাশে থাকার আশ্বাস নওশাদেরও

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ক্যানিংয়ে গণপিটুনিতে মৃতের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিলেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস। পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এদিনই ঘুটিয়ারি শরিফে নিহতের বাড়িতে যান নওশাদ সিদ্দিকি।

Advertisement

গত বুধবার চোর সন্দেহে ক্যানিংয়ের তালদিতে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত যুবকের নাম জামির আলি শেখ। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় এলাকা। শনিবার মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কাশেম সিদ্দিকি। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসকে নিশানা করেন তিনি। কেন বিধায়ক ঘটনার পর চারদিন পেরিয়ে গেলেও মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেননি সেই প্রশ্ন তোলেন। এসবের মাঝে রবিবার মৃতের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিলেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস। কাশেম সিদ্দিকির আক্রমণের পালটা তিনি বলেন, অসুস্থতার কারণে তিনি আগে যেতে পারেননি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে নওশাদ সিদ্দিকি ঘুটিয়ারি শরিফে নিহতের বাড়িতে গিয়ে দাবি করেন পরেশরাম দাস অসুস্থ ছিলেন না। উনি বিধানসভায় যাচ্ছিলেন। মন্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক। বলেন, “উনি যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি সেদিন বিধানসভায় ছিলাম তাহলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব। ওনার কথা মিথ্যা হলে উনি পদত্যাগ করবেন তো।?” প্রসঙ্গত, গত বুধবার ক্যানিংয়ের তালদিতে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার পর আইএসএফের তরফে বিষয়টি রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। যা নিয়ে সংঘাত বাঁধে তৃণমূল এবং আইএসএফের মধ্যে। দলের বিধায়ককে নিশানা করেছিলেন কাশেমও।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.