High Court

জড়ানো হচ্ছে একাধিক মামলায়! গ্রেপ্তারের শঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে তৃণমূল বিধায়ক

বর্তমান পরিস্থিতিতে খুন হয়ে যেতে পারেন বলেও আশঙ্কা ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়কের।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৬, ১৯:৩১

options
link
জড়ানো হচ্ছে একাধিক মামলায়! গ্রেপ্তারের শঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে তৃণমূল বিধায়ক
ফাইল ছবি।

গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশ রাম দাস। বাংলার মসনদে এখন পরিবর্তনের সরকার। দুর্নীতি ইস্যুতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও তৃণমূলের দাবি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। একই দাবি ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রামদাসেরও। তাঁর দাবি, প্রতিদিন মিথ্যা মামলাতে নাম জড়ানো হচ্ছে। পুরানো ঘটনাকে নতুন করে অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। একাধিক খুনের মামলাতে নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্ত মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে পরেশ রাম দাস।

Advertisement

উল্লেখ্য গত চার মে রাজ্যে ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। এরপর থেকেই ‘দাবাং’ মুডে পুলিশ প্রশাসন। ফলাফল প্রকাশের পরেই ক্যানিংয়ের বেশ কিছু তৃণমূলে নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন, অস্ত্র আইন থেকে শুরু করে লুটপাট মারামারি ভাঙচুরের ঘটনায় সেই সমস্ত নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপরেই গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় ভুগতে শুরু করেছেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশ রাম দাস। কারণ এর আগে ক্যানিংয়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উত্তম দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়েই আতঙ্কে আছেন বিধায়ক। বিধায়ক আতঙ্কের কারণেই তড়িঘড়ি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন। তাঁর আইনজীবী বুধবার এই নিয়ে হাইকোর্টে পিটিশন ফাইল করেছেন। শুধু তাই নয়, মামলার শুনানি যাতে দ্রুত হয় সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। আইনজীবী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাসের করা আবেদনের শুনানি হতে পারে বিচারপতি সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে। 

Advertisement

অন্যদিকে এই বিষয়ে তৃণমূল বিধায়ক বলেন, প্রত্যেকদিন আমাদেরকে বিভিন্ন পুরনো মামলায় ফাঁসিয়ে দিচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস করার অপরাধে সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা বাড়ি ছাড়া। বেশ কিছু জনপ্রতিনিধি ইতিমধ্যেই জেলে। শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকেও জেলে পাঠানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে দাবি পরেশ রাম দাসের। তাঁর কথায়, রাজ্যে পালাবদলের পরেই আমার কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে। খুন করারও পরিকল্পনা চলছে। আর তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আর এই সমস্ত কারণে সাধারণ মানুষকে তিনি কোনও পরিষেবা দিতে পারছেন না বলেও মন্তব্য বিধায়কের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.